নয়াদিল্লি: ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। কিন্তু সরকারপক্ষ কী নিয়ে এই অধিবেশন ডেকেছে তা নিয়েই চলছিল জল্পনা। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান হল। আগামী সপ্তাহের বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার সংসদের ৭৫ বছরের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতে চায়। এছাড়াও চারটে বিল পাশ করতে চলেছে কেন্দ্র যার মধ্যে রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ প্রক্রিয়া যা নিয়ে ইতিপূর্বে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
লোকসভা সচিবালয়ের একটি বুলেটিনে বলা হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর, সম্পাদনা সভা থেকে শুরু করে ৭৫ বছরের সংসদীয় যাত্রা— অর্জন, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি এবং শিক্ষা নিয়ে একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: সিপিএম কি ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটি এড়িয়ে যেতে চাইছে?
শাসকদলের বিশেষ অধিবেশনের ঘোষণা নিয়ে তুমুল জল্পনা চলছিল। যা নিয়ে সবথেকে বেশি বিতর্ক হচ্ছিল তা হল দেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া থেকে ভারত করা হতে পারে। সাম্প্রতিক জি ২০ বৈঠকে বেশ কয়েকবার ‘ভারত’ নামটা উচ্চারিত হয়েছে। আবার কেউ কেউ মনে করেছিলেন, সরকার পক্ষ হয়তো ‘এক দেশ এক নির্বাচন’, ইউনিফর্ম সিভিল কোড এবং মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে বিল পাস করাতে পারে।
কংগ্রেস এবং বিরোধীদের একের পর এক বৈঠকের পর, সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন, মণিপুরের হিংসা এবং কুস্তিগিরদের প্রতিবাদ সহ আলোচনার ৯টি সম্ভাব্য বিষয়ের রূপরেখা দিয়েছিলেন।
কংগ্রেসের তরফে দাবি, সোনিয়ার এই চিঠির কারণেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অবশেষে বিশেষ অধিবেশনের বিষয়বস্তু খোলসা করেছে। কংগ্রেসের তরফে জয়রাম রমেশ বলেন, অবশেষে সোনিয়া গান্ধীর চাপের ফলে পাঁচদিনের বিশেষ অধিবেশনের কর্মসূচি জানিয়েছে সরকার। যা বলা হয়েছে তা কিছুই না, এটার জন্য নভেম্বরের শীতকালীন অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেত।