টিকাকরণ না হওয়া পর্যন্ত করোনা রুখতে যে কড়া বিধি-নিষেধ চালু হয়েছে, তা তুলে নেওয়া উচিত হবে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে, শিশুদের করোনা আক্রান্ত হওয়া থেকে রুখতে বড়দেরকেও সতর্ক হতে হবে।
গত ২১ ডিসেম্বর ব্রিটেনে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়। তখনই সেখানে চালু হয় সম্পূর্ণ লকডাউন। চারটি পর্যায়ে এই লকডাউন ওখানে চলছে। প্রতি পর্যায়ে একবার করে আনলক করা হয়। সঙ্গে শুরু হয়েছে গণ টিকাকরণ কর্মসূচি। আগামী ২১ জুন যদি সেখানে ৭০% টিকাকরণ সম্ভব হয় তাহলে সম্পূর্ণ আনলক হবে। একেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন ইউকে মডেল। এরাজ্যেও এই মডেল অনুসরণ করা উচিত বলে জানালেন চিকিৎসক ডা. দীপ্তেন্দ্র কুমার সরকার।
পরিসংখ্যান বলছে করোনায় প্রথম ঢেউয়ের থেকে দ্বিতীয় ঢেউয়ে কম বয়সীদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হবে এমনটা বিজ্ঞান ভিত্তিক ধারণা নয়। তবে শিশুরা যেহেতু বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না তাই তারা তখনই আক্রান্ত হতে পারে যদি বড়রা যারা বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, তাঁরা করোনার ভাইরাস নিয়ে বাড়িতে ঢোকেন। তাই শিশুদের করোনা আক্রান্ত হওয়া থেকে রুখতে সবথেকে বেশি সতর্ক হতে হবে বড়দের বলে জানালেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অগ্নিমিতা গিরি সরকার।
শিশুদের জন্য করোনার টিকা এখনো এখনো চালু হয়নি। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার আগে যদি টিকা আসে তাহলে শিশুদের দ্রুত টিকাকরণ জরুরী। পাশাপাশি জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের বেশি টিকাকরণ না হওয়া পর্যন্ত বিধি-নিষেধ চালু থাকা দরকার।
প্রতীকী ছবি