কলকাতা: বিজয়ার বিষাদের মাঝেই শুরু প্রতীক্ষা। কলকাতার বিশেষ কয়েকটি বারোয়ারি দশমীতে প্রথা মেনে বিসর্জন দিয়েছে। এছাড়া বাড়ি ও আবাসনের পুজোর (Durga Puja 2023) প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। বিজয় দশমীর সকাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত ৪৫০ এরও বেশি প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে। শহর কলকাতা গঙ্গাসংলগ্ন বাজা কদমতলা ঘাটে বেশির ভাগ প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে এই প্রতিমা নিরঞ্জন এর কাজ চলছে পুরোদমে। শহরের ঘাটগুলি পরিদর্শনে যান মেয়র পরিষদ দেবাশীষ কুমার (Debasish Kumar) সহ পুরসভার আধিকারিকরা।
কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা দিনরাত এক করে প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য রয়েছেন গঙ্গার ঘাট গুলিতে। বিজয় দশমীর রাত প্রায় বারোটা পর্যন্ত থাকার পর বুধবার সকালেই কলকাতার গঙ্গার সংলগ্ন ঘাট গুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জন এর কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে কিনা তা পর্যালোচনা করেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পরিষদ দেবাশীষ কুমার। দীর্ঘক্ষণ বাজা কদমতলা ঘাটে বসে পর্যবেক্ষণ করেন নিরঞ্জন প্রক্রিয়ার কাজকর্ম। প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেন পুরসভার আধিকারিকদের। নিরঞ্জন প্রক্রিয়ার কাজের গতি দেখে সন্তুষ্ট দেবাশীষ কুমার (Debasish Kumar)।
লালবাজারের সূত্রের খবর, দশমীর দুপুর থেকেই কলকাতার ৩৪টি ঘাটে রয়েছে জোরদার পুলিশি ব্যবস্থা। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ইতিমধ্যেই পুরসভার কর্তাদের সঙ্গে পুলিশকর্তারাও ঘাট পরিদর্শন করেছেন। ঘাটগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘাটগুলি পরিষ্কার করতে পুরসভার সঙ্গে সহযোগিতা করবে পুলিশও। একইসঙ্গে বিসর্জনের জন্য দক্ষিণ শহরতলি ও বেহালা অঞ্চলের মোট ৪০টি পুকুর, সরোবর ও ঝিল শনাক্ত করা হয়েছে। সেগুলিতেও রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যবস্থা। নিরাপত্তার জন্য কলকাতা, হাওড়ার দিকের ঘাটগুলির আশপাশে টহল দেবে কলকাতার জল পুলিশ। ১৮টি লাইফ সেভিং বোট থাকছে। বিসর্জন চলাকালীন মাইকিং করে সচেতন করা হবে। বাগবাজার ঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, গোয়ালিয়র ঘাট ও নিমতলা ঘাটে মোতায়েন থাকছে ডিএমজির বিশেষ বাহিনী।