ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বের মঞ্চে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান (Pakistan)। এবার পাকিস্তানি (Pakistani) নাগরিকদের ভিসা (Visa) দেওয়া বন্ধ করল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশে বেশ কিছু পাকিস্তানি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে। সেই কারণে এই কড়া সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে আবু ধাবি। বিষয়টি জানানো হয়েছে পাকিস্তানের মানবাধিকার বিষয়ক সেনেট ফাংশনাল কমিটির এক বৈঠকে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দাবি, বহু পাকিস্তানি ভিজিট ভিসার অপব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি, চুরি, সংগঠিত অপরাধ, এমনকি খুন-ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। চলতি বছর দুবাইয়ে ভারতের তেলঙ্গানার দুই নাগরিককে খুন ও আরও এক জনকে গুরুতরভাবে আহত করার ঘটনায়ও পাক নাগরিক জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা জানান, দুবাইয়ের একটি বেকারিতে হামলা চালিয়ে ওই ব্যক্তি ধর্মীয় স্লোগানও দেয়।
আরও পড়ুন: বাইডেনের ‘অটোপেন’-এ স্বাক্ষরিত একাধিক নির্দেশ বাতিল ট্রাম্পের!
এইসব কারণে এবার পাকিস্তানিদের জন্য দেশের দরজা বন্ধ করল আবু ধাবি। এই সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আপাতত ট্যুরিস্ট, ভিজিট এবং কর্মসংস্থান— পাকিস্তানিদের জন্য আপাতত সব ধরনের ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকবে। তবে ইতিমধ্যেই যেসব ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলি মেয়াদের শেষ পর্যন্ত বৈধ থাকবে। তবে পাকিস্তানের বিভিন্ন ইউএই দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারগুলি নতুনভাবে ভিসার জন্য আবেদন গ্রহণ বন্ধ করে দিয়েছে।
সরকারি হিসেব অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে বছরে প্রায় ৮ লাখ পাকিস্তানি ভিসার জন্য আবেদন করেন। কেউ চাকরির সন্ধানে, কেউ আবার পশ্চিমের দেশে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে দেশের বাইরে যেতে চান। কিন্তু সৌদি আরবের তরফে জানানো হয়েছে, গত কয়েক বছরে মক্কা-মদিনায় হজের সময় ৪,০০০-এর বেশি পাক তীর্থযাত্রীকে নানা অনিয়মের কারণে আটক করা হয়েছে। ভেরিফিকেশন চালু করেও কমেনি ক্রাইমের হার। এইসব কারণেই এবার পাকিস্তানিদের জন্য ভিসা দেওয়াই বন্ধ করে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
দেখুন আরও খবর: