তানেগাশিমা: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডার পাঠাল জাপান (Japan)। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮.৪২-এ ‘মুন স্নাইপার’ (Moon Sniper) ল্যান্ডারকে নিয়ে দক্ষিণ জাপানের তানেগাশিমা (Tanegashima) থেকে সফল উৎক্ষেপণ হল এইচ২-এ (H2-A) রকেটের। তিনবার এই উৎক্ষেপণের দিনক্ষণ পিছনোর পর অবশেষে সফল হল জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি, সংক্ষেপে জাক্সা (JAXA)। তাদের এই মিশনের নাম ‘স্লিম’ (SLIM) বা স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (Smart Lander for Investigating Moon)। চাঁদের মাটিতে অবতণ করতে এই মিশনের চার থেকে ছয় মাস সময় লাগবে।
জাক্সাকে ইতিমধ্যেই অভিনন্দন জানিয়েছে ইসরো (ISRO)। ইসরোর তরফে টুইট করে বলা হয়েছে, স্লিম ল্যান্ডারের সফল উৎক্ষেপণের জন্য জাক্সাকে অভিনন্দন। গ্লোবাল স্পেস কমিউনিটির আরও এক চান্দ্র অভিযানের জন্য শুভেচ্ছা। প্রসঙ্গত, স্নাইপার ল্যান্ডারের সঙ্গে গবেষণা করার জন্য একটি কৃত্রিম উপগ্রহও পাঠিয়েছে জাপান।
আরও পড়ুন: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
Congratulations @JAXA_en on the successful launch of the SLIM lander to the moon.
Best wishes for another successful lunar endeavour by the global space community. https://t.co/7HSjtoFHx7— ISRO (@isro) September 7, 2023
রকেট উৎক্ষেপণের ৪৭ মিনিট পরে আলাদা হয়ে গিয়েছিল ল্যান্ডারটি। সেটি আপাতত পৃথিবীর কক্ষপথে। বেশ কয়েকবার প্রদক্ষিণের পর পৃথিবীর অভিকর্ষজ বলের সাহায্যেই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে ল্যান্ডারটি। ঠিক একই কৌশল অবলম্বন করেছিল ইসরোও। প্রসঙ্গত, শেষবার মে মাসে এই মিশন লঞ্চের চেষ্টা করেছিল জাক্সা কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
স্লিম মহাকাশযানটি খুবই হালকা, তার ওজন ২০০ কেজির সামান্য বেশি। চন্দ্রযান ৩-এর ওজন সেখানে ১৭৫০ গ্রাম। এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য চন্দ্রপৃষ্ঠে যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে অবতরণ করা। ল্যান্ডিং সাইট হিসেবে যে জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে তার ১০০ মিটারের মধ্যে নামাই লক্ষ্য। বলা হচ্ছে, যেখানে সুবিধা সেখানে অবতরণ নয়, বরং যেখানে চাই সেখানেই অবতরণ করা যাবে, তাই করে দেখাতে চলেছে এই মিশন।