নয়াদিল্লি: দু’দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি এসেছিলেন কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। রবিবারই সেই সম্মেলন শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বিমানে ত্রুটির কারণে ভারতেই রয়ে গিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তাঁর প্রতিনিধি দলও তিন দিন ধরে ভারতে আটকে। এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য বায়ুসেনার আইএএফ ওয়ান ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
জি-২০ সম্মেলন শেষের পর, রবিবারই কানাডায় ফিরে যাওয়ার কথা ছিল সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁর বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ ধরা পড়ায়, ভারতেই আরও এক রাত কাটাতে বাধ্য হন তিনি। কানাডার ন্যাশনাল ডিফেন্স সূত্রে খবর, বিমানের যে অংশে ত্রুটি ধরা পড়েছে, তা সারাই করা যাবে না। ওই যন্ত্রাংশ বদলানো ছাড়া উপায় নেই। মঙ্গলবারই জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য আরও একটি বিশেষ বিমান পাঠানো হচ্ছে ভারতে। এরই মধ্যে ভারতের তরফেও বায়ুসেনার বিমানে করে দেশে ফেরার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে জাস্টিন ট্রুডো নাকি ভারতীয় বিমানে চেপে কানাডায় ফিরে যেতে অস্বীকার করেন। তাঁর দলের তরফে জানানো হয়, তাঁদের বিমান ঠিক হওয়া পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করবেন। সোমবার রাতেই সেই বিমানের আসার কথা ছিল, কিন্তু বিশেষ কারণে তা লন্ডনে অবতরণ করানো হয়। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে সেই বিমান এসে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ও অন্যান্য প্রতিনিধিরা সেই বিমানে করে কানাডায় ফিরে যান।
আরও পড়ুন:সুদূর গ্রহে জলের সন্ধান, রয়েছে কার্বন অণু! প্রাণের সংকেত নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস ধরেই কানাডায় ভারত বিরোধী শক্তি বেশি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। খলিস্তানি আন্দোলনের নামে মন্দিরে মন্দিরে হামলা হয়েছে। এদিকে কানাডা সরকারকে এই নিয়ে বারবার সতর্ক করলেও ঘরোয়া রাজনীতির স্বার্থে এই নিয়ে নীরবতা পালন করেছেন জাস্টিন ট্রুডো। তবে দিল্লিতে জি২০ বৈঠকের পর মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই নিয়ে কথা শুনতে হয় তাঁকে। অবশ্য তিনি তাঁর সরকারের সেই পুরনো অবস্থানের কথাই জানিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ট্রুডোর বক্তব্যে দিল্লি খুশি হতে পারেনি।