শেষ পর্যন্ত হয়তো বা বিচার পেলেন কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড। জর্জকে হত্যার দায়ে মার্কিন পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিনকে ২২ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। আদালতের ১২ সদস্যের জুরি প্যানেল আগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
আর পড়ুন বঙ্গে সেঞ্চুরি ছুঁইছুঁই পেট্রোল, ডিজেলও ঊর্ধ্বমুখী
২০২০ সালের মে মাসে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। জর্জ ফ্লয়েডের উপর নির্মম অত্যাচারের ভিডিও ফুটেজ সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড় ফেলে দেয়। দেখা যায়, পুলিশ অফিসার শভিন হাঁটু দিয়ে জর্জের গলা চেপে রেখেছেন। প্রায় ৯ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে। মৃত্যুর আগে জর্জ বলেছিলেন, ‘আই কান্ট ব্রেদ’। আমি শ্বাস নিতে পারছি না।এর পরই কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘ব্ল্যাক লাইভস মেটারস’ স্লোগান উঠতে শুরু করে।
আর পড়ুন বাঁধে ফাটল, বিপর্যয়ের আগেই মেরামতির কাজ প্রশাসনের
বিশ্বজুড়ে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং বর্ণবৈষম্য বিরোধী বিক্ষোভ দানা বাঁধে। জর্জকে হত্যার দায়ে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন শভিন। ১। সেকেন্ড ডিগ্রি খুন ২। থার্ড ডিগ্রি খুন এবং ৩। হত্যা। বিশ্বজুড়ে এই প্রতিবাদের ভাষায় চাপে পড়ে মার্কিন প্রশাসন। কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের বিচারের দাবিতে অবশেষে রায় দিল মার্কিন আদালত। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য়, ‘অবশেষে ন্যায়বিচার হল। আমাদের আরও অনেক পথ হাঁটতে হবে।’
আর পড়ুন কোভিড গ্রাফ নামছে, ভাবাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা