উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য, শান্তি ফেরাতে কূটনৈতিক আলোচনা ডাক ভারতের

0
30

ওয়েবডেস্ক- উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য ( Middle East) । ইরানের (Iran) উপর ইজরায়েল (Israel) ও আমেরিকার (America)  যৌথ আক্রমণের ক্রমেই যুদ্ধের আঁচ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz)  বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। যার প্রভাব পড়বে বিশ্ববাণিজ্যে। স্বস্তিতে নেই ভারত, চাপ বাড়ছে । দ্রুত শান্তি ফেরাতে মোদি সরকার সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

ভারতের উদ্বেগের কারণগুলির মধ্যে রয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান ও ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাত যেভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে, তা নিয়ে চিন্তিত নয়াদিল্লি। ওমান (Oman)  ও কুয়েতের (Kuwait)  মতো দেশে যেখানে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে ইরানের পালটা হামলার খবরে উদ্বেগ বেড়েছে। ইরানের বহু ভারতীয় প্রবাসী রয়েছে।

পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় ৯০ লক্ষ থেকে ১ কোটি ভারতীয় বসবাস করেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন নয়াদিল্লির কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়াও লোহিত সাগর বা হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথগুলি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ভারতের স্পষ্ট বার্তা, যে যুদ্ধ কোনও সমাধান নয়; একমাত্র কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব। বিদেশ মন্ত্রক থেকে জারি করা বিবৃতিতে উভয় পক্ষকেই সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর এবং সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। ভারত জানিয়েছে যে যে কোনও দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিরন্তর এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন যাতে একটি মধ্যস্থতার পথ বের করা যায়।

আরও পড়ুন-  ইরানের রণনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ট্রাম্প! আমেরিকার অস্ত্রের ভাঁড়ারে টান পড়লেই আসরে নামবে চিন?

গত কয়েকদিনে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটায় নয়াদিল্লি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যেই আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ মঙ্গলবার ফোনে মোদি কথা বলেন, ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক ও কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবা আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহর সঙ্গে। এর আগে তিনি মোদি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু,  আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, বাহরিন এবং জর্ডনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here