ওয়েব ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। তার কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। এর প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। পেট্রল (Petrol Diesel) ও ডিজেলের দাম অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। তবে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে এই জ্বালানিগুলির উপর থেকে লিটারপ্রতি ১০ করে শুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। তবে পেট্রল সংকট ঘোচাতে এবার বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে মোদি সরকার। এপ্রিল মাস থেকে ইথানল মেশানো পেট্রল (Ethanol blended petrol) ব্যবহার করতে হবে সকলকে। তার জন্য পেট্রল সংস্থাগুলিকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।
নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এ নিয়ে বলেছেন, পেট্রলের সঙ্গে ইথানল মেশালে ভারতের জন্য অনেক সাশ্রয় হয়েছে। গত একবছর ধরে এমন পেট্রল উৎপাদন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে জানিয়েছেন, বর্তমানে পেট্রেলের সঙ্গে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো হচ্ছে। তা আগামী দিনে ৩০ শতাংশ করা হতে পারে। এদিকে নির্দেশিকা দিয়ে বলা হয়েছে, ইথানল মেশানো পেট্রল প্রত্যেক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সরবরাহ করতে হবে।
আরও খবর : আরও তীব্র সংঘাত! নিত্যপ্রয়োজনীয় একাধিক সামগ্রীর দাম বাড়তে চলছে!
প্রধানমন্ত্রী কথা মতো, ইরানে (Iran) সংঘর্ষের কারণে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার মোকাবিলা করছে সরকার। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, আগামী ৬০ দিনের জন্য জ্বালানি মজুত রয়েছে দেশে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও, এলপিজি সরবরাহ নিয়মিত হয়নি। অন্যদিকে, পেট্রল পাম্পেও লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে তেল নেওয়ার জন্য।
এদিকে সম্প্রতি পেট্রল (Petrol) ডিজেলের উপর থেকে আবগারি শুল্ক ১০ টাকা করে কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু এর সুবিধা সবাই পাবেন না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। কারণে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি দামে কেনা তেল ছিল ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে। সেই কারণে পুরনো দামেই এই এতদিন বিক্রি হচ্ছিল জ্বালানি। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুল্ক হ্রাসের সিংহভাগের সুবিধা নিতে পারে তেল সংস্থাগুলি। তবে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের দাম কমতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
দেখুন অন্য খবর :

