সকলেই জানে টলিউডের মহানায়িকা সুচিত্র সেন(Tollywood Mahanayika Suchitra Sen) জন্মেছিলেন বাংলাদেশের পাবনা শহরে। পর্দার বাইরে তাঁর রহস্যময় জীবন নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহল বোধহয় কোনদিনই শেষ হবে না। যার রূপে আপামর বাঙালি এখনো আবেগে ভেসে বেড়ান।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়েছিল। স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে তার নাম ছিল ‘কৃষ্ণা’। তারপর একসময় রমার পরিচিতি হয় সুচিত্রা নামে। সুচিত্রাকে নিয়ে আগ্রহ মানুষের মধ্যে কোনদিনই কমেনি। পর্দা থেকে অবসর নেবার পর নিজেকে তিনি কেন অন্তরালে রেখেছিলেন তা আজও অজানা। কেউ কি জানতো পাবনায় বেড়ে ওঠা সেই রমা দাশগুপ্ত(Rama Dasgupta) দুই বাংলায় সুচিত্রা নামে দাপিয়ে বেড়াবে!
মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের নানান অজানা কাহিনী সামনে রেখে ওপার বাংলার দুই লেখক-সাংবাদিক
উম্মুল ওয়ারা সুইটি এবং প্রতীক ইজাজ একটি বই লিখেছেন। কি ভাবে পাবনার রমা হয়ে ওঠেন মহানায়িকা! বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত বইটির নাম ‘সূর্যতাপা সুচিত্রা'(Suryatapa Suchitra)। কলকাতা এবং বাংলাদেশের খ্যাতিমান লেখক-কবি-সাংবাদিক সুচিত্রা সেনের শৈশব- কৈশোরের বন্ধু, কর্মজীবনের বন্ধুদের নানার গল্প আছে এই বইয়ে। আছে নানান অজানা তথ্যের সঙ্গে সুচিত্রার কিছু দুর্লভ আলোকচিত্র। তাঁর ছবির মূল পোস্টার কিভাবে হত, তা নিয়ে একটি তথ্য গল্প রয়েছে এই বইয়ে। সম্পাদনার পাশাপাশি এই বইতে সুচিত্রা সেনকে নিয়ে এই দুই লেখক নিজেরাও লিখেছেন। লেখকদ্বয় সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংস্কৃতি,গনমুখী আন্দোলন ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার নানাদিকে বিচরণ করেন। মুখবন্ধে তারা লিখেছেন ‘ছবিতে তারা উপস্থিতি, ছবি শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অনেকক্ষণ এক অচেতন রেশ রেখে যায় দেহ ও মনে….. সুচিত্রা সেন অভিনয়ের এক অদ্ভুত জাদুবলে আলাদা করে দেয় সবাইকে, সময় থেকে নিয়ে যায় নিজে নিজে বৃত্তে ও স্মৃতিতে…’।