বাংলা শিখতে হবে! কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের পরামর্শ

0
32

কলকাতা: ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) হতে চলেছে। ভোট ঘোষণা হওয়ার পরই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হাজির হয়েছে বাহিনী। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাংলায় কথা বলার নির্দেশ দিলেন পুলিশ সুপার। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই ছোটখাটো অশান্তি সামলাতে হবে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজন ভোটারদের আস্থা অর্জনেরও। ফলত শুধু কাঁধের উপর আগ্নেয়াস্ত্র রেখে হেঁটে চলে গেলে চলবে না। কথা বলতে হবে ভোটারদের সঙ্গে। আশ্বস্ত করতে হবে তাঁদের। সেই কাজে ভাষা যাতে সমস্যা হয়ে না দাঁড়ায় তার জন্য রীতিমত কেন্দ্রীয় বাহিনীদের বাংলাভাষা আয়ত্ত করতে পরামর্শ জেলা প্রশাসনের। রবিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসারদের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয় কোচবিহার জেলা প্রশাসনের।জলপাইগুড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তাদের টাস্ক বুঝিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার যশপ্রীত সিং। কীভাবে গ্রামগঞ্জে থাকা সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাংলায় কথা বলতে হবে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরলভাবে টিপস দিলেন খোদ পুলিশ সুপার।

আরও পড়ুন: বিজেপির সদস্যপদ নিলেন আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

গত বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) সময় ঘটে যাওয়া শীতলকুচির জোরপাটকিতে গুলিকাণ্ডের পর এবার এই বিষয়ে আরও জোর দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। প্রাথমিক ভাবে দৈনন্দিন ব্যবহারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাংলা শব্দ, বাক্য অন্তত শিখে নিতে বলা হচ্ছে ভিন রাজ্য থেকে আসা জওয়ানদের। কাজ চালানোর মতো বাংলা বা হিন্দির সঙ্গে সম্পৃক্ত যে সমস্ত শব্দ রয়েছে সেগুলো জওয়ানদের শেখানোর কথা বলেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। এতে জওয়ানদের এরিয়া ডমিনেশনের সময়ে জনসংযোগে যেমন সুবিধা হবে তেমনি সাধারণ মানুষ সহজে কথাও বলবে, মনে করছে প্রশাসন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে এমনই স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন।পুলিশ সুপার বলেন, “ভয়ভীতিহীন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে চায় কমিশন। তাই কমিশনের উপর মানুষের আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনে বাংলা ভাষায় কথা বলতে হবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here