ওয়েব ডেস্ক : সনাতন ধর্ম ও জ্যোতিষ মতে চন্দ্রগ্রহণকে (Lunar eclipse ) সাধারণত অশুভ হিসেবেই ধরা হয়। তবে ২০২৬ সালের ফাল্গুন পূর্ণিমা ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। কারণ আগামী ৩ মার্চ, হোলিকা (Holi) দহনের দিনেই হবে বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ। শুধু তাই নয়, জ্যোতিষীদের হিসেব অনুযায়ী এটিই হতে চলেছে চলতি বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই গ্রহণের স্থায়িত্ব থাকবে প্রায় ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট। সিংহ রাশিতে এবং পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্রে গ্রহণটি লাগবে। যেহেতু এটি ভারত থেকেও দৃশ্যমান হবে, তাই ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী সূতক কাল বা অশুচি সময় হিসেবেও গণ্য হবে।
শাস্ত্রমতে, সূতক কালের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সাধারণ চন্দ্রগ্রহণের (Lunar eclipse) প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে থেকেই সূতক কাল শুরু হয়। এই সময় খাদ্য গ্রহণ করা, দেবমূর্তি স্পর্শ করা বা পূজা করা নিষিদ্ধ বলে ধরা হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি ও মন্দিরের দরজাও বন্ধ রাখা হয়।
আরও খবর : তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী মেনকা গুরুস্বামী! জানেন তাঁর সম্পর্কে?
গ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুদ্ধিকরণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। পরিবারের সদস্যরা স্নান সেরে নিয়ে মন্দিরে গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিতে পারেন। এরপর দেবমূর্তির পুরনো বস্ত্র সরিয়ে পরিষ্কার জলে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র, ফুল ও ভোগ অর্পণ করে পুনরায় পূজা সম্পন্ন করুন।
শুধু মন্দির নয়, ঘরবাড়িও শুদ্ধ করার প্রথা রয়েছে। অনেকেই লবণ মেশানো জল দিয়ে ঘর মোছেন এবং পরে গঙ্গাজল বা গোমূত্র ছিটিয়ে দেন। পাশাপাশি ধূপ, ধুনো বা হোমের ধোঁয়া দিয়ে পরিবেশ পরিশুদ্ধ রাখার রীতি রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সমস্ত নিয়ম পালন করলে গ্রহণের অশুভ প্রভাব কমে এবং ঘরে শান্তি ও শুভ শক্তির সঞ্চার হয়।
দেখুন অন্য খবর :
