দোষ বাংলায় কথা বলা! বেঙ্গালুরুতে আটক মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী  শ্রমিক

0
27

ওয়েবডেস্ক-  ফের হেনস্থা! দোষ বাংলায় কথা বলা। আর সেই অপরাধে সেই একই ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad)  শ্রমিকের সঙ্গে (Migrant Workers) । বাংলাদেশি সন্দেহে (Bangladeshi suspect) ফের ভিন রাজ্যে হেনস্থার শিকার মুর্শিদাবাদের শ্রমিক। অভিযোগ, কর্নাটকের বেঙ্গালুরু পুলিশের (Bengaluru Police)  হাতে আটক মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিক। অবশেষে হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কয়েকঘণ্টা পর ছাড়া পান শ্রমিক। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর ভাকতুর থানার ওয়াল্ড ফিল্ড এলাকায়।

ওই যুবকের নাম সাহিদ রানা মণ্ডল (Sahid Rana Mondal) । হরিহরপাড়া থানার চুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নাজিরপুর বেলতলার বাসিন্দা। গ্রামে তার মোবাইলের দোকান ছিল। ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতির কারণে দোকান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। এর পর সাহিদ সংসার চালানোর জন্য তিনি ভিনদেশে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। সাহিদের পরিকল্পনা ছিল কিছু টাকা জমিয়ে গ্রামে ফিরে এসে নতুন করে ব্যবসায় আবার নামবেন। ছেলের এই সিদ্ধান্তে তার পরিবারও পাশে ছিল। বছরখানেক আগে সাহিদ চলে আসে কর্মাটকের বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিকের। কুরবানি ইদে বাড়ি ফিরে আসার কথা ছিল। শনিবার বিকেলে স্থায়ীয় ওয়ার্ল্ড ফিল্ড এলাকায় ঘুরতে বেরিয়ে তাকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে ভাকতুল থানার পুলিশ। আটকের খবর বাড়ি পৌঁছতেই চিন্তায় পড়ে তার পরিবার। তারা দ্বারস্থ হন হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখের।

আরও পড়ুন-  লালগোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে গরু পাচারের চেষ্টা! গ্রেফতার ১

বিষয়টি জানার পর বিধায়ক হরিহরপাড়া থানার পুলিশে খবরটি জানান। পুলিশ দ্রুত যোগাযোগ করে কর্নাটকের ভাকতুর থানার সঙ্গে। কয়েকঘণ্টা পর ভাকতুর থানা সাহিদকে ছেড়ে দেয়। সাহিদের বাবা আফজল আলি মণ্ডল জানান, “ছেলের ব্যবসা ভালো চলছিল না। সেই সময় বাধ্য হয়ে বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে কর্নাটকে যায়। সেখানে বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে সাহিদকে আটক করে ভাকতুর থানায় নিয়ে যায়। সাহিদ আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়েছিল, কিন্তু ভাকতুর থানা তাকে ছাড়তে চাইছিল না। অবশেষে বিধায়ক নিয়ামত শেখ ও হরিহরপাড়া থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে মুক্তি পায় সাহিদ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here