ওয়েবডেস্ক- ফের এসআইআর আতঙ্কে চরম সিদ্ধান্ত বেছে নিলেন এক প্রৌঢ়া। হগলির রিষড়ার ঘটনা। শনিবার গভীর রাতে উদ্ধার হয় মহিলার ঝুলন্ত দেহ। জানা গেছে, চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকায় আতঙ্কে ভুগছিলেন তিনি। তাঁর মনে হয়েছিল দেশছাড়া হতে হবে তাকে। এর পরেই চরম পদক্ষেপ নেন তিনি। রবিবার সকালে মৃতের বাড়িতে যান স্থানীয় তৃণমুল নেতৃত্ব। কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তারা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতার পরিবার। মৃতার নাম মিনতি সেন। বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর, হুগলির রিষড়া পঞ্চায়েতের ৪৪-৪৫ নম্বর বুথের বাসিন্দা ছিলেন।
২০০২ ভোটার লিস্টে তার নাম ছিল। কিন্তু এসআইআরের পর প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর ও ছেলের নাম ওঠেনি। এতেই স্বাভাবিকভাবে প্রবল আতঙ্কে ভুগছিলেন মিনতি দেবী। চূড়ান্ত তালিকা বের হওয়ার পর থেকেই চরম আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছিলেন। এই সবের শনিবার গভীর রাতে ঘর থেকে উদ্ধার হয় ঝুলন্ত দেহ। পরিবার ও তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী কমিশন।
আরও পড়ুন- নাম না তুললে সাসপেন্ড করা হবে’, মনিরুলকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতা’র
প্রসঙ্গত, এসআইআর ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার চেষ্টা, হৃদরোগের আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু সহ একাধিক তথ্য সামনে এসেছে। এদিকে বিএলও কাজের চাপেও আত্মহত্যা করেছেন। বিভিন্ন সভা মঞ্চ থেকে কমিশন ও বিজেপির দিকে নিশানা করে গর্জে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ফের তিনি বলেন, এই এসআইআরের এজন্য রাজ্যের এতগুলো মানুষকে হারাতে হয়েছে।
এদিকে এত কিছুর পরেও রাজের এসআইআর ইস্যুতে জটিলতা এখনও অব্যাহত। ভোটের আগে এই সমস্যার সমাধান হবে কিনা তাই নিয়ে অনিশ্চয়তা।

