ওয়েব ডেস্ক : ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে নাম। তার জেরে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল মালহের (Malda) কালিয়াচকে (Kaliachak)। এমনকি ভোটার তালিকার সংশোধনের কাজে যাওয়া ডুডিশিয়াল অফিসারদেরকেও সারারাত আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। ভোটের ঠিক আগে মালদহতে এমন অশান্তির কারণে চাপ বেড়েছে কমিশেনের (Electin Commission)। কারণ নির্বাচনীবিধি লাগু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব কমিশনের। এই ঘটনার জন্য মিম ও হুমায়ুন কবীরের লকেই দায়ী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
মুখ্যমন্ত্রীর যে এই অশান্তি নিয়ে মিথ্যা বলেননি, তা প্রমাণিত হয়েছে শুক্রবার। কারণ, কালিয়াচকের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি (CID)। এর জন্য রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি’রও প্রশংসা করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তথা এনআই-কে (NIA) কটাক্ষ করলেন মমতা। তিনি বলেছেন, মালদহের কালিয়াচকে অশান্তির ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আগেই সিআইডি এই কাজ করে ফেলেছে। বর্তমানে আমাদের হাতে কোনও ক্ষমতা নেই। কিন্তু তা সত্বেও রাজ্যের অফিসাররা ক্ষমতার সঙ্গে এই কাজ করেছেন।
আরও খবর : মিলছে না যুবসাথীর টাকা! দেরির কারণ জানিয়ে আশ্বাস দিলেন মমতা
এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের সভা থেকে মালদহের ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো আরও বলেছেন, মালদহে যারা অশান্তি করেছিল, যারা জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রেখেছিল, তারা অন্যায় করেছে। কিন্তু এই অশান্তির জন্য যে দায়ী, সেই অভিযুক্তকে সিআইডি গ্রেফতার করেছে। মমতা আরও দাবি করেছেন, আগেই বলেছিলাম বহিরাগতদের ঢুকিয়ে এখানে অশান্তি করা হয়েছিল। তার পরেই পালাতে গিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মমতা (Mamata Banerjee) এদিন সভায় উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেছেন, বহিরাগতরা যাতে ভোটের সময় না ঢোকে, সেটি নজর রাখতে হবে। ভোটের সময় বাংলায় অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করতেই এমনটা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে তিনি বলেছেন, এখন তাঁদের হাতে কোনও ক্ষমতা নেই। কিন্তু, ভোটের পর সব বুঝে নেব বলেও জানিয়েছেন মমতা।
দেখুন অন্য খবর :

