ওয়েবডেস্ক- মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কাছে এই ভোট বয়কটের ডাক দেওয়ার দাবি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির (ISF MLA Naushad Siddiqui) । Adjudication এর সমস্যার সমাধানের আগেই ভোট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে ৬০ লাখ মানুষের সমস্যার সমাধান না হলে ভোট বয়কটের ডাক দিন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী যদি ভোট বয়কটের ডাক দেয়, তাহলে তার সঙ্গে থাকার বার্তা আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর।
এদিন সাংবাদিকদের সামনের নওশাদ বলেন, এরা পুরো ঘেঁটে ঘ করেছে। যখন বলল জুডিশিয়াল পারপাসেই হবে, যার জাস্টিস আছেন, বিচারপতিরা আছেন, তারা এটাকে নিষ্পত্তি করবেন। এর আগে কিন্তু একটা অর্ডার ছিল, যাকে আমি যুক্তিযুক্ত মনে করেছিলাম। যে ইআরও/ এইআরও-রা নিষ্পত্তি করবেন। যে আইন আছে, ১৯৫১-এই আইনটা তো সেটাই বলছে। এদের কাছে সর্বোচ্চ পাওয়ার, তাহলে এতক্ষণে নিষ্পত্তি হয়ে যেত।
আরও পড়ুন- বাংলায় দু’দফায় ভোট, কবে থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা?
এবার বিচারপতিরা যাঁরা করছেন, নিষ্পত্তি করার জন্য তাদের কাছে কটা কাগজ পৌঁচচ্ছে এটা একটা প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আমার গণনা ফর্ম ঠিক ঠিক পৌঁছেছে নাকি? লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নোটিসের সময় আর কোন কোন পেপার যাচ্ছে, হতে পারে আরও চারটে পেপার বের করে নিয়েছে। ন ওশাদ বলেন, আমি দুটো পেপার জমা করেছি, পাসপোর্ট সহ আমি দিয়েছি, আমার এলডিতে নাম এসেছিল। হতে পারে পাসপোর্ট খুলে নিয়ে শুধু পেপারটা দিচ্ছে। এই রকম হতে পারে তো? তাহলে আমি তো রিজেক্ট হয়ে যেতে পারি? তাহলে আমার যখন ভেরিফিকেশন হচ্ছে, আমি তখন স্বশরীরে উপস্থিত হতে পারছি না। এটা একটা প্রসেস, সব হচপচ হয়ে গেছে।
নওশাদ বলেন, ভোট ক’ দফায় হবে, সেটা দু দফা, আট দফায় হতে পারে। কিন্তু মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। তিনি বলেন, ভোটের দিন ওয়েব কাস্টিং সজ একাধিক কথা বলেছে কমিশন, কিন্তু ভোটের দিন সিআইএসএফ, সেন্ট্রাল ফোর্স তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। যারা ক্ষমতায় থাকে গুন্ডা, গুলি, মস্তান, বন্দুক দেখিয়ে মানুষের মতামতগুলিকে তারা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। এখন দেখার বিষয় কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে। নওশাদ প্রশ্ন তোলেন, ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিবেচনাধীন, কিভাবে তাদের বাদ রেখে ভোট ঘোষণা করা হল, সেই প্রশ্ন উঠছে। আমরা আইনজীবী, দলের সঙ্গে কথা বলছি, যদি চ্যালেঞ্জের বিষয় থাকে, তাহলে আমরা চ্যালেঞ্জে যাব। ক্যামেরা সামনেই বলছি, এটা বাংলার ভোটারদের সঙ্গে প্রহসন হচ্ছে, ইনজাস্টিস হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস যদি সোচ্চার হয়, ভোট বয়কটের ডাক দেয় তাহলে নির্বাচন কমিশন ভাবনা চিন্তা করবে। আর তৃণমূল কংগ্রেস যদি আওয়াজ তোলে, আমরা সেই ৬০ লক্ষ মানুষের স্বার্থে ভোট বয়কটের ডাক দেব।
