ওয়েবডেস্ক- নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) কাজে ইচ্ছাকৃত ভুল ভ্রান্তি হলে প্রয়োজনে সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করা হবে। বুথের নিরাপত্তা (Booth security) সব রকমের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) । বুথের ভেতরের কোনও গন্ডগোল হলে ভোট কর্মীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। ছাপ্পা ভোট, ইভিএম (EVM) কারচুপি দেখতে পেলে সঙ্গে সঙ্গে সেক্টর অফিসারকে জানাতে হবে। ভোটের দায়িত্বে যাওয়ার পর বুথের ভোটকর্মীদের ছবি নেওয়া হবে আজ সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সকলকে বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Chief Electoral Officer Manoj Agarwal) ।
ওয়েব কাস্টিং ( Web Casting) এ কোনও অসঙ্গতি হলে সেই বুথে পুনর্নির্বাচন (Re Election) হবে। সাব ডিভিশন লেভেলের নিচে কোনও ঘটনা কেন্দ্র থাকবে না। জেলাতেই গণনা কেন্দ্র থাকবে। বুথের নজরদারিতে তৈরি করা হবে পর্যবেক্ষকদের বিশেষ সেল। ভোটারদের বাধা দেওয়া, বুথ ক্যাপচার হলে রিপোল হবে কড়া নির্দেশ কমিশনের।
আরও পড়ুন- বিগ ব্রেকিং, ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী
মনোজ আগরওয়াল আরও বলেন, থানা ভিত্তিক রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এলাকা ক্রাইম ফ্রি বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পরে কোনরকম অশান্তি হলে সংশ্লিষ্ট অফিসার দায়বদ্ধ থাকবেন। সাধারণ মানুষের ভোট সংক্রান্ত যেকোনোও রকম অভিযোগ জানাতে বিশেষ সেল তৈরি করবে CEO দফতর।
গতকালই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দু, দফায় ভোট হচ্ছে। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল ও শেষ দফা ২৯ এপ্রিল, গণনা ৪ মে। নির্বাচনী দিনক্ষণ ঘোষণা আগেই বাংলার অবস্থা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসে নির্বাচন কমিশনের ফুল টিম। মুখ্য নির্বাচনী জ্ঞানেশ কুমার সেই সময় জানিয়েছিলেন, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন, রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। দিল্লি ফেরার আগে জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের (Chief Electoral Officer Manoj Agarwal) সঙ্গে বৈঠক সারেন। দু’জনের বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষত রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। ভোটমুখী বাংলায় যাতে কোনও ভাবে অশান্তি না হয়, সে নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশ দেন তিনি। অশান্ত পরিস্থিতিতে জেল থেকে আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে কিনা, সেদিকেও নজর দিতে বলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, তার জন্য একাধিক নির্দেশ দেন জ্ঞানেশ কুমার।
