শান্তিনিকেতন: আবিরের ছোঁয়ায় চারদিক রঙিন। এবছর দোল পূর্ণিমার দিন বসন্ত উৎসব হচ্ছে না শান্তিনিকেতনে (Santiniketan)। রংহীন কবিগুরুর আশ্রম প্রাঙ্গণ।ঋতুরাজ বসন্তেও ফিকে বিশ্বভারতী। তালা বন্ধ ক্যাম্পাস। বিগত অভিজ্ঞতা ও হেরিটেজ রক্ষার্থে এমন সিদ্ধান্ত বিশ্বভারতীর। খুব স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা বিভিন্ন মহলে। ২০১৯ সালে শেষবার দোল পূর্ণিমার দিন বসন্ত উৎসব হয়েছিল শান্তিনিকেতনে (Santiniketan Basanta Utsav)। সে বছর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। উৎসবের নামে বসন্ত তাণ্ডব দেখেছিল শান্তিনিকেতন। অবরুদ্ধ হয়েছিল গোটা বোলপুর শান্তিনিকেতন শহর। খুব স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা জনিত কারণে প্রথম বিশ্বভারতী সিদ্ধান্ত নেয় দোল পূর্ণিমার দিন বসন্ত উৎসব না করার।
পরে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শান্তিনিকেতন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পায়। এ মত অবস্থায় হেরিটেজ রক্ষার্থে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ শান্তিনিকেতনে দোল পূর্ণিমার দিন বসন্ত উৎসব বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বসন্ত আবাহন উৎসব হবে অন্য কোন একটি দিন দেখে। খুব স্বাভাবিকভাবেই দোল পূর্ণিমার দিন শান্তিনিকেতন রবি ঠাকুরের আশ্রম প্রাঙ্গণ ফাঁকা। হেরিটেজ এরিয়ায় প্রবেশিকার ক্ষেত্রে পুলিশে নিয়ন্ত্রণ। আশ্রম প্রাঙ্গণে ঝুলছে তালা।
আরও পড়ুন: দোলের সকালে পার্ক স্ট্রিটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ১৫০ বছরের বাড়ি
শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব না হলেও রবীন্দ্রনাথের ভাবনাকে তালা বন্ধ করে রাখতে পারেনি বিশ্বভারতী। বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন পাড়ায় রবীন্দ্র ভাবনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বসন্ত উৎসব। দূর দুরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন শান্তিনিকেতনের কোপাই নদী তীরবর্তী অঞ্চলের।এই বছর গ্রহণ থাকার জন্য মায়াপুর ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোন রং উৎসব পালিত হবে না এবং সেই রকম ভাবে কোন অনুষ্ঠান পালিত হবে না। যদি অনুষ্ঠান পালিত করা হয় তাহলে আগামীকাল সেটি মায়াপুর ইসকন হবে, এবং মায়াপুর ইসকনের ভেতরে কোনদিনই কোন দোল উৎসব পালিত হয় না এবং কোন বিশৃঙ্খর পরিস্থিতিতে সৃষ্টি না হয় রাখে মায়াপুর ইসকন কর্তৃপক্ষ
