ওয়েবডেস্ক- বাংলায় ভোটের (Bengal Assembly Election 2026) আবহে ভিনরাজ্যের কাজ করতে গিয়ে পর পর পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant worker) মৃত্যু একাধিক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) পুনেতে (Pune) কাজ করতে গিয়ে খুন হন পুরুলিয়ার যুবক সুখেন মাহাতো (Sukhen Mahato) । এর পর গুজরাটে (Gujrat) কাজ করতে গিয়ে রহস্যমৃত্যু বর্ধমানের সোনামণি বৈরাগ্যের। সেই তালিকায় যুক্ত হল বীরভূমের বাপ্পা শেখের (Bappa Sheikh) নাম। বাপ্পা কীর্ণাহারের কাফেরপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কিভানের মৃত্যু তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে রহস্য ঘনাচ্ছে।
পরিবার সূত্রে খবর, বছর ২৩-এর বাপ্পা চেন্নাইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়েছিলেন। বাবা-মা নেই, ছোটবেলা থেকেই দাদুর কাছে বড় হয়েছিলেন বাপ্পা। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। গত নয় মাস আগে চেন্নাইয়ের মানিবক্কম এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই কাজ করতেন।
আরও পড়ুন- বাংলা থেকে গুজরাটে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি গৃহবধূর! কী হয়েছিল সোনামণির সঙ্গে?
শনিবার রাতে বাপ্পার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জানা গেছে, রাতের খাবারের পর কোম্পানির গাড়িতে রাখা জিনিস নামিয়েছিলেন। সেই কাজ রাত ১২ টা নাগাদ শুরু হয় অস্বস্তি। মাথা ঘোরা, বমির সমস্যা দেখা দেয়। কিছু সময়ের পরে তার পা টানটান হয়ে যায়। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা বাপ্পা শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কথা স্থানীয় থানায় জানানো হয়। রাতেই বাপ্পার বাড়িতে তার মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। শোকে পাথর পরিবার। বাপ্পা শেখের মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিযায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে সোচ্চার হয়েছে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর তালিকা শুধু দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।
