ওয়েব ডেস্ক: হাসিনাহীন বাংলাদেশের শাসনভার খালেদাপুত্র তারেকের হাতেই। জামাত বিরোধী আসনেই। ১৭ বছর যে বাংলাদেশে পা রাখতে পারেননি।লন্ডনে সপরিবারে ছিলেন তিনি। বিএনপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন দূর থেকেই। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছে। শুধু ফেরাই নয়, তারেক বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখতেই অক্সিজেন পেছিল বিএনপি। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর। বিমান থেকে নেমে দেশের মাটি মাথায় ছুঁইয়ে প্রণাম করেছিলেন তারেক। দেশে ফেরার এক মাস কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী পদ যেন তার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্যই হয়তো তিনি বিএনপি-র ডার্ক প্রিন্স।দুই বছরেরও বেশি সময় অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে আশার আলো দেখেছিলেন সাধারণ দেশবাসীও।বাংলাদেশে বড় জয়ের পথে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে (BNP Chairman Tarique Rahman) অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) এবং প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। ঘনিষ্ঠতার বার্তাও দিয়েছেন। ভারতের প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Narendra Modi) তারেককে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলায় পোস্ট করেছেন। একসঙ্গে কাজের বার্তা দিয়েছেন।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনে বড় জয়ের পথে এগোচ্ছে বিএনপি। সব কিছু ঠিক থাকলে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হতে চলেছেন সে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। জয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তান থেকেও এল শুভেচ্ছাবার্তা। তারেককে জয়ের অভিনন্দন জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।পাক প্রধানমন্ত্রী স্যোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের জয় ও বিএনপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভোট সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশের মানুষকেও অভিনন্দন।’’ সেই সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন পাক প্রধানমন্ত্রী। লেখেন, ‘‘বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে আমাদের ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ, বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার অপেক্ষায় আছি। দক্ষিণ এশিয়া এবং তার বাইরে শান্তি, স্থিতি এবং উন্নয়ন আমাদের যৌথ লক্ষ্য। তার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।’’
আরও পড়ুন: হাসিনাহীন বাংলাদেশের প্রধান খালেদাপুত্র, কিন্তু বিজয় মিছিল নয়, বড় নির্দেশ তারেকের
বাংলাদেশের এ বারের ভোটে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ লড়াই করেনি। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। ফলে নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বিএনপি এবং জামাত। গণনা চলেও তবে বড় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে খালেদা জিয়ার দল। জয় নিশ্তিত হতে বাংলাদেশেরে সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক নিয়ে বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান।দীর্ঘ দিন পরে ঢাকা থেকে করাচি পর্যন্ত রুটে শুরু হয়েছে বিমান চলাচল। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির বার্তা দিল পাকিস্তান।