ওয়েব ডেস্ক: ইরানে ক্রমাগত মিসাইল ছুড়ছে ইজরায়েল (Israel) -আমেরিকা। তেহরানে (Tehran) তেলের ডিপো ও জ্বালানি মজুদ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে, ক্রমাগত হামলা করেছে আমেরিকা। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পড়ছে আকাশ থেকে। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর ইরানে। বাতাস ভারী হয়ে উঠছে হাইড্রোকার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইডে। এর ফলে বাড়ছে বিষ বৃষ্টির আঙঙ্কা। এবার অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে তেহরানে, সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।
ইজরায়েলের হামলার পর তেহরানের তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ড থেকে নির্গত সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড বাতাসে মিশে মারাত্মক অ্যাসিড বৃষ্টি (Black Rain) বা বিষাক্ত বৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল ও আমেরিকা তেহরানের আশেপাশের তেল স্টোরেজ ও ফুয়েল ডিপোগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা করছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটছে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। শহর ঢেকে যাচ্ছে কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসে। এই পরিস্থিতিতে গোদের উপর বিষফোঁড়া হতে পারে অ্যাসিড বৃষ্টি। সকলকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এভাবে পরপর তেলের স্টোরেজে বিস্ফোরণ ঘটার ফলে বাতাসে এন সব রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ছে। যে কোনও সময় অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে তেহরানে। এর ফলে ত্বকে জ্বালা এবং শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে মিশে থাকা সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড ত্বক ও শ্বাসনালীর ক্ষতি করতে পারে।
আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনেইকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! এবার তাঁকেও খতম করবে আমেরিকা?
রবিবার সকালে তেহরানে বৃষ্টি শুরু হয়। ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে, যুদ্ধের সময় তেলের ডিপো জ্বলার কারণে বাতাসে যে হাইড্রোকার্বন ও ক্ষতিকারক ধোঁয়া ছড়িয়েছিল, তা বৃষ্টির জলের সঙ্গে মিশে নীচে নেমে এসেছে। এই বৃষ্টির জলের সংস্পর্শে আসার পর অনেক গাড়ির রঙ নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ক্ষতি হয়েছে। এমনকী রাস্তায় বের হওয়া মানুষজন গলাব্যথা ও চোখে জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যার কথা জানিয়েছেন।
