বাংলাদেশের সেই আবু সইদ হত্যা মামলায় ২ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড

0
26

ওয়েব ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ (Abu Sayed)। গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাইদ।বৃহস্পতিবার আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল(International Crimes Tribunal in Dhaka )। তাঁকে হত্যার অপরাধে প্রাক্তন দুই পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিল ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল । এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৩০ জন। এদের মধ্যে তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছে। পুলিশের প্রাক্তন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজনচন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দু’জনেই এখন জেলে রয়েছেন। যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য মহম্মদ হাসিবুর রশীদ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার, ওই দফতরের কর্মী, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের (আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন) নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রশীদ-সহ ২৪ জন দোষী পলাতক।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশে হাসিনা জমানায় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গত বছরের জুলাই মাসে আন্দোলনে নেমেছিলেন সে দেশের পড়ুয়ারা। আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সাইদ। গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের রাবার বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন তিনি। বাঁশের লাঠি নিয়ে হাতে নিয়ে পুলিশের উদ্যত বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশের বন্দুক থেকে ছুটে আসা রাবার বুলেটের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন মাটিতে। আবু সাইদের মৃত্যুতে আন্দোলনের আগুনে ঘি পড়েছিল। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো ছবি। পরবর্তীকালে শহিদ এই ছাত্রই হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here