কলকাতা : দীর্ঘ ২০ মাস পর খুলেছে স্কুল কলেজ। আর কলেজ খোলা প্রথম দিনেই শুরু হল বিক্ষোভ। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে সরগরম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। করোনাবিধি যথাযথ ভাবে যাতে পালন করা হয় সেই কারণে তৃণমূলের তরফ থেকে কলেজ গেটে হেল্প ডেস্কের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দেওয়া হচ্ছিল মাস্ক। কেন তৃণমূলের ছাত্ররা হেল্প ডেস্ক করবে তারই প্রতিবাদে সোচ্চার হয় এসএফআই। শুরু হয় বচসা।
এসএফআইয়ের তরফ থেকে দাবী করা হয়, যারা মাস্ক বিলি করছেন তাঁরা কেউ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নন। তাঁরা কেন কলেজের বাইরে এই ধরণের কর্মসূচি রাখবেন। টিএমসিপির তরফ থেকে জানানো হয় তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করেনি। ফলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে তুমুল বচসা বাধে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে তৃণমূলের হেল্প ডেস্ক
টিএমসিপি ও এসএফআইয়ের মধ্যে চলে স্লোগান পাল্টা স্লোগান। উত্তেজনা ছড়ায় প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছায় সেখানে। বিক্ষোবরত পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে পুলিশ।
আরও পড়ুন – School Reopens: সাত-শপথে প্রবেশে ছাড়, করোনা-সচেতনতায় এ যেন এক অন্য স্কুল
এই গোটা ঘটনা নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ‘এদিন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করোনা বিষয়ে সতর্ক করার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওরাই ঝামেলা করে। এসএফআইয়ের তরফ থেকে বলা হয় তৃণমূল করলে পাশ করতে পারবে না।’ যদিও এরপর তৃণাঙ্কুর জানিয়েছেন এসএফআইয়ের এই দাবী সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন। তিনি টিএমসিপির সকলের সঙ্গে দেখাও করেন।
অন্যদিকে, এসএফআই-র রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ‘সেখানে গিয়ে এই ধরণের কর্মসূচি করা সমস্যা নয়। সকলের অধিকার রয়েছে। তবে, কী উদ্দেশে তা করা হচ্ছে তা দেখা দরকার।’