বাংলা থেকে গুজরাটে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি গৃহবধূর! কী হয়েছিল সোনামণির সঙ্গে?

0
29

 ওয়েবডেস্ক-  বাংলা থেকে গুজরাটে (Gujrat)  কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু! সোনামণি বৈরাগ্যের (Sonamani Bairagya)  মৃত্যু ঘিরে রহস্য। ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে খবর, গুজরাটের (Gujrat)  আমেদাবাদের রেস্টুরেন্ট কাজ করতে গিয়েছিলেন সোনামণি। পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) কালনার (Kalna)  নাদানঘাট থানা (Nadanghat police station) এলাকার সিদ্ধেপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভ। অভিযোগ দায়ের হয়েছে নাদানঘাট থানায়।

প্রসঙ্গত, অভাবের সংসার। বছর দেড়েক আগে আমেদাবাদের সোলা থানার বোকাদেব এলাকার রজকপথ রঙ্গোলি রোডের এক রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজে যান বছর ৩৮ এর সোনামণি। গত শুক্রবার রেস্তোরাঁর একটি ঘর থেকে সোনামণি বৈরাগ্যর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষ সোনাযণির পরিবারকে আত্মহত্যা করার কথা জানালেও পরিবারের দাবি সোনামণিকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমেদাবাদ থানায় অভিযোগ নিতে না চাওয়ায় নাদানঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন- বিচারপতিদের বিরুদ্ধে ৮,৬৩০টি অভিযোগ! সংসদে জানাল কেন্দ্র

জানা গেছে, পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ধোবার বাসিন্দা মিঠুন বৈরাগ্যের সঙ্গে কুড়ি বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সোনামণির। তাদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। মজুরের কাজ করতেন মিঠুন। অভাবের সংসার। এই কারণে গুজরাতের রেস্তোরাঁয় ওয়েটারের কাজ নিয়ে সেখানে চলে যান।

এই রেস্তোরাঁর একটি ঘরে গত শুক্রবার রাতে সোনামণির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষ ফোন করে, বাড়িতে জানান সোনামণি আত্মহত্যা করেছেন। সোনামণির স্বামী স্ত্রীর এই মৃত্যু মেনে নিতে নারাজ। তাঁর বক্তব্য, এর পিছনে অন্য ঘটনা আছে। মৃতের মা শেফালি কর্মকার নাদনঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার দাবি মেয়েকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাদনঘাট থানার পুলিশ আমেদাবাদ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here