এপস্টিনের মৃত্যু কীভাবে? বিতর্ক উসকে জোরালো তত্ত্ব সামনে আনলেন এক চিকিৎসক

0
41

ওয়েবডেস্ক-  খবরের শিরোনাম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, শিরোনামে এখন একটাই নাম জেফ্রি এপস্টিন (Jeffrey Epstein) । কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? তিনি কী আত্মঘাতী হয়েছিলেন? মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা। এই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে খোদ এক চিকিৎসকের সন্দেহ নিয়ে। চিকিৎকের দাবি, গলায় দড়ি দিয়ে ঝোলার কারণে নয়, এফস্টিনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে শ্বাসরোধকারী প্রবল চাপের কারণে। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য উদঘাটন করতে বিশেষ তদন্তের প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।

নিউ ইয়র্কের (New York) মেডিক্যাল এগজামিনারস অফিসে (New York Medical Examiner’s Office) এপস্টিনের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছিল।

চিকিৎসক মাইকেল ব্যাডেন (Dr. Michael Baden) এপস্টিনের পরিবারের তরফে পর্যবেক্ষক হিসাবে ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত ছিলেন। এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে ওই চিকিৎসক বলেন, এপস্টিনের মৃত্যু গলায় দড়ি দিয়ে ঝোলার জন্য নাও হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, এপস্টিনের মৃত্যু সম্ভবত শ্বাসরোধের চাপের কারণে হয়েছে, ঝুলে যাওয়ার জন্য নয়। ময়নাতদন্তের সময়ে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকলেও এখন তথ্য রয়েছে দাবি ওই চিকিৎসকের।

তিনি জানান, এখন যা তথ্য সামনে আসছে, যাতে মনে হচ্ছে মৃত্যুর কারণ ও পদ্ধতি সম্পর্কে আরও তদন্ত প্রয়োজন। চিকিৎসক ব্যাডেনের আরও দাবি, ময়নাতদন্তের সময় মেডিক্যাল পরীক্ষকও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মনে করেছিলেন আরও তথ্যের প্রয়োজন।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এপস্টিনের দেহের ময়নাতদন্তের একটি সংশোধিত সংস্করণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশ করে। মৃত্যুর পদ্ধতির জায়গায় ‘পেন্ডিং’ লেখা ছিল।  আত্মহত্যা বা খুনের সম্ভাবনার পাশে কিছু লেখা ছিল না, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তবে মার্কিন চিকিৎসক বারবারা স্যাম্পসন এপস্টিনের মৃত্যুকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা বলেই উল্লেখ করছিলেন। মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

চিকিৎসক ব্যাডেনের দাবি, বারাবারা স্যাম্পসন এপস্টিনের ময়নাতদন্তের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তাই এই বক্তব্য মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। সব থেকে বড় বিষয় হল, এপস্টিনের পক্ষে  যারা আইনি লড়াই লড়ছেন  তারাও

ব্যাডেনের দাবিকে মান্যতা দিয়েছেন। জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তাঁরা সন্তুষ্ট নন।

আরও পড়ুন-  ১০ বছরের মধ্যেই চাঁদের মাটিতে মানুষের জন্য শহর, ঘোষণা মাস্কের

জেলে এপস্টিনের মৃত্যু নিয়ে প্রথম যারা প্রশ্ন তুলেছিলেন তাদের মধ্যে ব্যাডেন অন্যতম। ২০১৯ সালের অগাষ্টে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, প্রাপ্ত প্রমাণ আত্মহত্যার চেয়ে খুনের সম্ভাবনাকেই আরও জোরালো করেছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে এপস্টিনের ঘাড়ের তিনটি হাড় ভাঙার উল্লেখ করা হয়েছিল। ব্যাডেন এখানে বলেছেন, গলায় দড়ি দিয়ে কেউ ঝুলে আত্মহত্যা করলে তিনটি হাড় ভাঙার কথা নয়। একটি হাড় ভাঙলেও খুন হতে পারে, সেটা যাচাই করা উচিত। এপস্টিনের আঘাতস্থলের সঙ্গে ফাঁসের দড়ির কোনও মিল নেই বলে দাবি করেছেন চিকিৎসক।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here