ওয়েব ডেস্ক : ককরোচদের (CJP) বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রেন বাতিল করে, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে আদালতের সমালোচনার মুখে পড়ল সরকার। রবিবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বিশেষ বেঞ্চ এই সংক্রান্ত মামলাটি শোনেন। আদালত স্পষ্ট বক্তব্য বেআইনি ভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীকে আটক করা যাবে না। সাধারণ মানুষকে অবাধে যাতায়াত করতে দিতে হবে।
৯ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টি দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। সেই আন্দোলনের মোকাবিলায় কেন্দ্র ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। ভোর চারটে থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত দিল্লিগামী সমস্ত ট্রেন বাতিল করা হয়। দিল্লির ৪৫ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ করা হয়।
আরও খবর : চেন্নাইয়ে নয়া মেট্রো রুট উদ্বোধন মোদির
কেন্দ্রের পদক্ষেপ নিয়ে কী কী রায় দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)? মেট্রো এবং রেল পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে হবে। নিয়মিত ভাবে যে সময়সূচিতে ট্রেন ও মেট্রো চলাচল করে কেন্দ্রকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। একমাত্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে বা কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারির কারণে পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একতরফা ভাবে কখনওই পুরোপুরি পরিষেবা বন্ধ করা যাবে না।
দিল্লিতে সাধারণ মানুষকে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ করে দিতে হবে। রাস্তা থেকে সমস্ত ব্যারিকেড সরাতে হবে। একমাত্র আইনশৃ্ঙ্খলা পরিস্থিতির প্রয়োজনে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। একইসঙ্গে ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়েও কেন্দ্রকে বিঁধেছে আদালত। পরিষেবা সচল রাখতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বেআইনি ভাবে আটক করা যাবে না বলে আদালতের নির্দেশ।
