ওয়েব ডেস্ক: ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ডের দৃশ্য লাইভ সম্প্রচার করবে আমেরিকা। ২০০৯ সালে আমেরিকার ফোর্ট হুড সেনাঘাঁটিতে বন্দুকবাজের হামলায় ১৩ জন নিহত হন। আততায়ী নিদাল হাসান ধরা পড়েন। নিদাল পেশায় মার্কিন সেনার একজন মনোচিকিৎসক। বিচারপর্বে নিদালের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি হয়।
মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দিতে গিয়ে নজিরবিহীন পদক্ষেপ পেন্টাগনের। ৩ ডিসেম্বর নিদাল হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেবে আমেরিকা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে ঘটনা এক কথায় নজিরবিহীন। শুধু তাই নয়, ঘটনার লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করবে পেন্টাগন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে পেন্টাগনের এক অফিসার লাইভ সম্প্রচারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ তাঁর এক্স পোস্টেও ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনার লাইভ সম্প্রচারের কথা লিখেছেন।
এর আগে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যম ঘটনার লাইভ সম্প্রচারের দাবি করে। কিন্তু মার্কিন আদালত সেই দাবিকে খারিজ করে। বিশ্বের আর কোনও দেশে মৃত্যুদণ্ডের এ রকম লাইভ সম্প্রচারের নজির নেই বলে বিশেষজ্ঞদের মত। একমাত্র আফগানিস্তানে তালিবান জমানায় বা কট্টরপন্থী ইরানে এ ধরনের কিছু নজির আছে।
আরও পড়ুন: নোবেল কমিটির ঘোষণা, সাহিত্যের সেরা কলম কানাডার অ্যান কার্সনের
৩ ডিসেম্বর মার্কিন সেনার তত্ত্বাবধানে নিদান হাসানকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে। টেক্সাসের সেনাঘাঁটিতে এই শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সেনাঘাঁটিতেই লেজার নিয়ন্ত্রিত বন্দুকের সাহায্যে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করে।
২০০৯ থেকে ২০১৩। হত্যাকাণ্ডের চার বছর পর সেনাবাহিনীর বিচারক হাসানের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের কয়েক সপ্তাহ আগে হাসানকে আফগানিস্তানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় সেনাবাহিনী। হাসানকে নিরস্ত্র করতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। আহত হাসান সুস্থ হয়ে উঠলেও আংশিক পক্ষাগাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। হুইলচেয়ার হয় তাঁর সব সময়ের সঙ্গী।
