ওয়েব ডেস্ক: আজ, শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনের গণনা। প্রথম রাউন্ড গণনার পর দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি-র প্রার্থীরা, বেশ খানিকটা পিছিয়ে বিরোধী দলগুলির প্রার্থীরা। বিজেপি-র প্রার্থী হাসিরানি রথ এবং শাখারভ সরকার এগিয়ে আছেন যথাক্রমে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে। মোট ১৫ রাউন্ড গণনা হবে।
এদিকে রেজিনগর গণনাকেন্দ্রে অনুপস্থিত হুমায়ুন কবিরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির এজেন্ট। মমতা তৃণমূলের কোনও এজেন্ট সেখানে নেই। বিজেপি-র এজেন্ট ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন কংগ্রেস, বাম এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূলের এজেন্টরা। নন্দীগ্রাম কেন্দ্রেও একই ছবি।
আরও পড়ুন: তারকা নয়, এখানে সবাই আপনজন! সাত নদীর জলে আজও বেঁচে ১৫০ বছরের চক্রবর্তী বাড়ির পুজো
এদিকে কংগ্রেসের অভিযোগ, রেজিনগরের পদ্ম শিবিরের প্রার্থী শাখারভ সরকার বিভিন্ন বুথে ঢুকে নিজেই ছাপ্পা ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়েছে তারা, সেই সঙ্গে দাবি জানিয়েছে শুক্রবারের ভোট গণনা স্থগিত রাখার। যদিও বিজেপি প্রার্থী এই অভিযোগকে নস্যাৎ করে জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণের দিন ইভিএম-এ গোলমাল হওয়ার খবর শুনে বুথে গিয়েছিলেন তিনি।
শুধু রেজিনগর নয়, দুই কেন্দ্রেই ভারতীয় জনতা পার্টির রিগিংয়ের অভিযোগ করেছে বিরোধী দলগুলি। হার নিশ্চিত জেনে অজুহাত দেওয়া হচ্ছে বলে তা উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে রেকর্ড হবে বলে দাবি করেন। সেদিন নিজের বুথে ভোট দান করে তিনি জানান, ২০১৬ সালে তিনি যে ৮০ হাজার ভোটে জিতেছিলেন, সেই মার্জিন ছাড়িয়ে যেতে পারেন উপনির্বাচনের প্রার্থী হাসিরানি।
