ওয়েব ডেস্ক : ইন্ডিয়া ব্লকের (INDIA Bloc) আহ্বানে সাড়া দিয়ে নয়া দিল্লি গেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘আমি দিল্লি যাচ্ছি দেশের প্রয়োজনে এবং বাংলার প্রয়োজনে। দেশজোড়া যে আন্দোলন চলছে, তার সঙ্গে না থাকলে তো চলবে না। বাংলার মানুষের জন্য, দেশের মানুষের জন্য দিল্লি যাচ্ছি।’’
এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় প্রায় তেরো কোটি সাধারণ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৯০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকায়। এর মধ্যে মাত্র ২২ লক্ষ মানুষ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। আবেদন শোনা হয়েছে এক লক্ষ মানুষের। যার মধ্যে ৯৩ শতাংশ আবেদনই ভোটারদের পক্ষে গিয়েছে। এই তথ্য হাতিয়ার করে ভোটার তালিকায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।
আরও খবর : কলকাতা পুরভোটে মহিলা সংরক্ষণ ৭০ ওয়ার্ডে
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসে ইন্ডিয়া ব্লক (INDIA Bloc)। সেখান থেকে দেশজোড়া প্রতিবাদ আন্দোলনের কর্মসূচি তৈরি হয়। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে তাঁদের দাবিসনদ পেশ করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে ইন্ডিয়া ব্লকের প্রতিনিধিরা দেখা করবেন। প্রতিনিধি দলে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, এম এ বেবি, শরদ পাওয়ার মতো নেতৃত্ব। বিরোধীরা ভোটচুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে অনড়। অবিলম্বে এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার দিল্লি রওনা হওয়ার আগে কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘ইন্ডিয়া জোট মাননীয় রাষ্ট্রপতির কাছে ৮ ও ৯ তারিখের জন্য সময় চেয়েছে। কালকে হয়ত সময় দেবেন। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম যাব বা। অভিষেককে পাঠিয়ে দেব। কিন্তু ওরা বলল আমার নাম দিয়েছে। আমাকে যেতে অনুরোধ করল। দেশজোড়া যে আন্দোলন চলছে, তার সঙ্গে না থাকলে তো চলবে না। বাংলার মানুষের জন্য, দেশের মানুষের জন্য দিল্লি যাচ্ছি। দেশ জুড়ে দমনপীড়ন চলছে। আন্দোলনের অধিকার প্রত্যেকের আছে। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে যা ঘটেছে সেটা ঠিক হয়নি। প্রত্যেকের বাড়িতে মা আছেন, বোন আছেন, বাচ্চা আছে, প্রত্যেককে তো সম্মান দিতে হবে।’’
