ওয়েবডেস্ক: বড় বড় ভাষণ আর নেই, ঋণের দায়ে জর্জরিত পাকিস্তানের অবস্থা তলানিতে ঠেকেছে। পহেলগাম কাণ্ডের পরেই ভারতের হুঙ্কারে কার্যত কোণঠাসা পাকিস্তান। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করে শাহবাজ শরিফের সরকার। ভারত যখন তখন যুদ্ধ শুরু করতে পারে, এই ভয়ে পাক সরকার ইসালামাবাদ (Isalamabad), লাহোর (Lahore), করাচি (karachi) ব্ল্যাউ আউট করে দেয়। স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাক সেনারা তাদের বাঙ্কার খালি করে দিয়েছে। এমনকি, বাঙ্কার থেকে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকাও নামিয়ে নেয় রেঞ্জাররা। দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তেই ফের পতাকা লাগিয়ে নেয় পাক সেনা।
ভারতের অ্যাকশন নেওয়ার আগে থেকেই ২৫০ জন সেনা আধিকারিক ও অফিসার পদত্যাগ করেন। সেইসঙ্গে প্রায় ২,৫০০ সেনা সদস্য শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিয়ে দেন। এদিকে তার পরেই ৭ মে মধ্যরাতে এয়ার স্ট্রাইক হানে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় জঙ্গিদের ৯ টি ঘাঁটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Naredra Modi) আগেই জানিয়েছিলেন, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করাই লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: ‘ অপারেশন সিঁদুর ‘ , কীভাবে পাকিস্তানকে ছিন্নভিন্ন করেছে জানিয়ে দিল ভারত
ভারতের হামলায় নিহত হয় পাঁচজন কুখ্যাত জঙ্গি। কিন্তু এর পরেও পাকিস্তান না থেমে জম্মু, পঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাতে ড্রোন হামলা চালাতে শুরু করে। ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সফলভাবে সেই হানাকে প্রতিরোধ করে। এই শহরগুলিকে সম্পূর্ণ ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া হয়। ভারত সফলভাবে ১২টি পাক মিসাইল প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। ভারতের প্রত্যাঘাতে কার্যত মুথ থুবড়ে পড়েছে পাক সরকার।
এমনিতেই ঋণে জর্জরিত পাকিস্তান। তার মধ্যে যুদ্ধের কারণে ‘ভাড়ে মা ভবানীর’ অবস্থা। বিশেষজ্ঞদের কথায় ১৯৬০ দশকে পাকিস্তান শিল্পে কিছুটা সাফল্য লাভ করেছিল। কিন্তু বার বার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামরিক শাসন চলে আসায় অর্থনীতির চাকা পিছন দিকে গড়াতে থাকে। যা দেশটির অর্থনীতির ভিতকে দুর্বল করে তোলে। একদিকে তলানিতে পাকিস্তানের অর্থনীতি অপরদিকে খালি হচ্ছে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। দ্রুত দেউলিয়ার পথে পাকিস্তান।
দেখুন ভিডিও-