ওয়েব ডেস্ক : নাইজেরিয়ায় (Nigeria) ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত ৩২ জনের। সোমবার বেনিন সিটি থেকে লাগোস যাওয়ার পথে নাইজেরীয় বায়ুসেনার একটি বিমান দুর্ঘটনার (Plane Accident) কবলে পড়ে। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা কারও প্রাণ বাঁচেনি। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে নাইজেরীয় বায়ুসেনাকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নিহত ৩২ জনের মধ্যে ছিলেন ২৫ জন যাত্রী এবং ৭ জন বিমানকর্মী। নাইজেরিয়ার বিমান পরিবহণমন্ত্রী ফেস্টাস কেইয়ামো জানিয়েছেন, এটিআর-৪২ বিমানটি একটি নিয়মিত মিশনে ছিল। সোমবার সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর পর শুরু হয় বিমানটির খোঁজ। শেষ পর্যন্ত উপকূলীয় শহর ইগবোকোডার কাছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে। ওই এলাকা একটি নৌঘাঁটির কাছাকাছি বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই নাইজেরীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।
আরও খবর : ফের মাঝ আকাশে বিপত্তি, ২৮০০০ ফুট গোঁত্তা খেল বিমান
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একটি নদীর কাছে বিমানটি ভেঙে পড়ে। ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশ জলের মধ্যে ডুবে যায় বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার আগে বজ্রপাতের মতো বিকট শব্দ শোনা গিয়েছিল। পরে ঘটনাস্থলে বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন অংশ, পোশাক ও জুতো পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নাইজেরিয়ায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহতম বিমান দুর্ঘটনাগুলির মধ্যে এই ঘটনাকে অন্যতম বলে মনে করা হচ্ছে। কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে নাইজেরীয় বায়ুসেনা।
