নন্দীগ্রাম: উপনির্বাচনের দিন সকালেই রেয়াপাড়ার শিবমন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি প্রার্থী হাসি রানি রথ। পুজো দিয়ে বেরিয়ে তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে চলছে। তাঁর বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত বড় কোনও সমস্যার খবর তাঁর কাছে আসেনি।
সোমবার সকাল ৭টা থেকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট শুরুর আগেই বিভিন্ন বুথের সামনে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যায়। সকাল থেকেই ভোটারদের মধ্যে উৎসাহও চোখে পড়েছে।
নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মোট ৩২৩টি বুথে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এর মধ্যে ৭৯টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে নিরাপত্তার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় নন্দীগ্রামে মোতায়েন রয়েছে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে।
শুধু নিরাপত্তা নয়, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার উপর সরাসরি নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথেই ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং রাখা হয়েছে। ফলে ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
এই আবহেই ভোটের দিন সকালে ধর্মীয় আচার মেনে রেয়াপাড়া শিবমন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী হাসি রানি রথ। পুজো শেষে ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। ভোটের আগে প্রচারপর্বে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে সরব হয়েছিল বিভিন্ন দল। এখন নজর ভোটগ্রহণের হার এবং বুথে বুথে পরিস্থিতির দিকে।
দিনভর ভোটগ্রহণ চলার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার রাখা হবে। কোনও বুথে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে কি না, ওয়েবকাস্টিং এবং বাহিনীর নজরদারির মাধ্যমে তার উপর নজর রাখবে প্রশাসন।
