ওয়েব ডেস্ক: ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই। সচিত্র ভোটার কার্ডের দাবিতে মহাকরণ অভিযান করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন সেসময়ের যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চতুর্থবারের জন্য রাজ্যে সরকার গঠনের লক্ষ্যে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Assembly Election) আগে ভোটার তালিকাকে কেন্দ্র করেই কর্মীদের আন্দোলনের সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো। ২৬য়ের ভোটে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২১ জুলাইয়ের ইস্যুর ছায়া সামনে এল। এজন্য একযোগে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে বিঁধলেন তিনি। ভোটার তালিকার (Voter List) কারচুপি রুখতে ভোটার তালিকা পরিষ্কারের কাজে দলীয় কর্মীর মাঠে নামতে নির্দেশ দিলেন। এর জন্য কমিটি গড়ে দিলেন। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সামনে তৃণমূল নেত্রী জানালেন, ভোটার তালিকা থেকেই খেলা শুরু হবে। আরও জোরে খেলা হবে। জাগরণ হবে। আপনারাই করবেন। নির্বাচন কমিশনে ধরনার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এদিন। এদিন মমতা বলেন, আমরা বিধানসভায় ২১৫ পাব। তার থেকে বেশি হবে। কম হবে না। যে প্রার্থী হবে প্রতীকই কথা। আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হতে পারে। এখন থেকেই তার প্রস্তুতি শুরু দিল রাজ্যের শাসক দল।
মমতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের আশীর্বাদে ভোটার তালিকায় কারচুপি করেছে বিজেপি। ভোটের আগে ভোটার তালিকা পরিষ্কার করতে হবে। বাংলার ভোটার তালিকায় গুজরাট, হরিয়ানার লোক ভর্তি। তালিকার পর তালিকা। ভোটার তালিকা দেখে নেবেন। আধার কার্ড কেলেঙ্কারি করেছে। এজেন্সি খুলে ডেটা অপারেটারদের কাছে গিয়েছে। ফিল্ড সার্ভে করেনি। তৃণমূল নেত্রী বলেন, গণতন্ত্রের এমন দুরবস্থা এখনও আগে দেখিন। দিল্লি মহারাষ্ট্রের কায়দা এখানে করতে এলে ধরব। ৭ দিনের মধ্যে জেলায় কোর কমিটি করে দেব। সেখান থেকে তিন দিন পরপর তথ্য তৃণমূল ভবনে পাঠাতে হবে। রাজ্যস্তরে ভোটার লিস্ট সংক্রান্ত কমিটি করে দিচ্ছি। সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে কমিটি করে দিচ্ছি। বীরভূমে কোর কমিটি রয়েছে। কেষ্ট কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন: “বিজেপির আয়ু ২-৩ বছর,” মহাসমেবেশে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন মমতা!
দেখুন অন্য খবর: