ওয়েব ডেস্ক : গুজরাটের (Gujrat) ভবনগরে লিভ-ইন সঙ্গীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার এক ব্যক্তিকে ক্রাইম সিন রিক্রিয়েশনের সময় প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত ফৈজল লাখানিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং লাঠি দিয়ে মারধরের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নীলমবাগ থানার ইন্সপেক্টর ডি পি উনাদকাট এই ঘটনার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত যেভাবে প্রকাশ্যে মহিলাকে আক্রমণ করেছিল, তাতে পুলিশের ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতিকে ‘বিরলতম’ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন ঘটনায় অপরাধীদের কাছে কঠোর বার্তা দেওয়া প্রয়োজন।
আরও খবর : বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃত্যু! মধ্যপ্রদেশে প্রাণ গেল ৯ জনের
প্রায় সাত বছর ধরে ফুটপাথে একসঙ্গে থাকতেন কাজল বারাইয়া ও ফৈজল লাখানি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ডাকাতি-সহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জেল থেকে বেরিয়ে সম্প্রতি ফৈজল জানতে পারেন, তাঁর সঙ্গী কাজল তাঁর পরিচিত রবি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’জনের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, এরপর কাজল ও রবিকে মারধর করেন ফৈজল। গুরুতর আহত কাজলকে সরকারি সির টি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার খুনের অভিযোগে ফৈজলকে গ্রেফতার করা হয়। তবে পুলিশের এই ধরনের আচরণ নিয়ে আইনি প্রশ্নও উঠেছে।
