মানিকচক: গণনাকেন্দ্রে লুটের চক্রান্তের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা। তৃণমূল বিধায়ককে গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দিতে জোট বাঁধল বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। বিধায়ককে উদ্দেশ্য করে চলল চোর চোর স্লোগান। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়াল মালদাহ মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণনা কেন্দ্রে। রীতিমতো পুলিশ আধিকারিকসহ ব্লক ভিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল বাম-কংগ্রেস-বিজেপির প্রার্থী সহ কর্মী সমর্থকরা। বলনা কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে প্রশাসন এমনও অভিযোগ বিরোধীদের। আর রাত গড়ালেই সমস্ত ভোট লুট করার চক্রান্ত রয়েছে অভিযোগ বিরোধী শিবিরের। পাশাপাশি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়োগী তীব্র খুব প্রকাশ করছেন শাসকদলের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র।
মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে গণনাকেন্দ্র। বিকেলের পরে গণনাকেন্দ্রে হাজির হন মানিকচক বিধানসভার তৃণমূল বিধায়িক সাবিত্রী। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিধায়িক স্ট্রং রুম সহ গণনা ঘরগুলিতে পৌঁছে যান। তৃণমূলের প্রার্থীদের জয় করতে এমন চক্রান্ত করছেন সাবিত্রী সহ প্রশাসন এমন অভিযোগ কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক মোত্তাকিন আলমের। আর এই পরিস্থিতিতে কয়েকশ বাম কংগ্রেস বিজেপির নেতাকর্মীরা একত্রিত হন। পুলিশ আধিকারিকদের ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় গণনা প্রক্রিয়া। বিরোধী শিবিরের দাবি, বিধায়িকা গণনা চলাকালীন ঘরগুলোতে যাচ্ছেন এবং লুটের চক্রান্ত চালাচ্ছেন। শেষে চোর চোর স্লোগানও দিতে থাকেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে। আর এই পরিস্থিতিতে মেজাজ হারান সাবিত্রী।
গোটা গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূল বিধায়িক। সাবিত্রী বলেন, বিরোধীরা একজোট বেঁধে তৃণমূলকে হারাতে নরম চেষ্টা চালাচ্ছে এমনকী ভিন রাজ্য থেকে গুন্ডা নিয়ে এসে ভোট লুটের চক্রান্ত রয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশ মতোই তিনি গণনা কেন্দ্রে এসেছেন। অনিয়মভাবে গণনাকেন্দ্রে আসার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।