ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যের জমির মালিকদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার তিনি জানান, এবার থেকে জমির খতিয়ান ও দাগের তথ্য সংগ্রহ করতে আর কোনও আবেদন ফি দিতে হবে না। ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “নাগরিক পরিষেবা যাতে স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, খতিয়ান (Record-of-Rights) এবং জমির দাগের তথ্য (Plot Information) পাওয়ার জন্য পূর্ববর্তী সরকার যে অ্যাপ্লিকেশন ফি (Enquiry charges) আদায় করতো তা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে মকুব করেছি।”
সঙ্গে লিখেছেন, “এখন থেকে, আপনারা সম্পূর্ণ ‘বিনামূল্যে’ অনলাইনে আপনাদের খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্যের ডিজিটালি স্বাক্ষরিত কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।এই ডিজিটাল জমির রেকর্ডগুলি পাওয়ার জন্য কোনওরকম আবেদন ফি বা প্রমাণীকরণ ফি (Authentication fees) লাগবে না। এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যজুড়ে সমস্ত জমির মালিক বিশেষত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন। আপনার জমি, আপনার অধিকার,আপনার তথ্য এখন থেকে মাত্র এক ক্লিকের আওতায়।”
নাগরিক পরিষেবা যাতে স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, খতিয়ান (Record-of-Rights) এবং জমির দাগের তথ্য (Plot Information) পাওয়ার জন্য পূর্ববর্তী সরকার যে অ্যাপ্লিকেশন ফি (enquiry charges) আদায়… pic.twitter.com/H2H2SuVvu5— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) July 3, 2026
আরও খবর : রামনবমী অশান্তি মামলায় গ্রেফতারের তিন দিনের মধ্যেই জামিন সাকির আলির, শর্ত বেঁধে দিল এনআইএ আদালত
প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার আইন, ১৯৫৫-এর ৫৭ নম্বর ধারার আওতায় ‘বেঙ্গল রেকর্ডস ম্যানুয়াল, ১৯৪৩’-এর ৩২০-এইচ ও ৩২০-আই বিধিতে সংশোধনের অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থ দফতরের সম্মতির পর এই সংশোধিত নিয়ম সারা রাজ্যে কার্যকর করা হয়েছে।
কীভাবে আবেদন করবেন?
খতিয়ান বা জমির দাগের তথ্য পেতে প্রথমে ‘বাংলারভূমি’ পোর্টালে নিজের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করতে হবে। এরপর ‘সিটিজেন সার্ভিস’ (Citizen Services) বিভাগে গিয়ে ‘সার্ভিস ডেলিভারি’ (Service Delivery) অপশনে ক্লিক করে ‘আর ও আর’ (ROR Request) নির্বাচন করতে হবে। তারপর জেলা, ব্লক, মৌজা, খতিয়ান নম্বর এবং আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করলেই অনলাইনে আবেদন করা যাবে। অনুমোদনের পর ডিজিটালি স্বাক্ষরিত নথি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।
দেখুন অন্য খবর :
