31.8 C
Kolkata

‘আমরা চটি চাটা হলে ও বালিশ চাটা’, চরম কটাক্ষ কুণাল ঘোষের

Must Read

কলকাতা: বিধানসভায় ‘মমতাপন্থী’ তৃণমূলের বিধায়কদের জন্য বসার আলাদা ঘর ও অধিবেশন চলাকালীন নিজস্ব বক্তব্য পেশের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ করা হচ্ছে। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে দেখা করার পর জানান প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay) এবং কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বৃহস্পতিবার প্রথম বাজেট অধিবেশনের পর সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বলেন, “আমাদের হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য। আমরা চাটন চরিতকে মানি না। ব্যাকডোর দিয়ে ছুড়ি মারা বিরোধী দলনেতাকে মানি না। মুখ্যমন্ত্রী সহযোগিতা করেছেন।

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, তাঁরা নিজেদের কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “উনি আমাদের যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছেন। আমাদের আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করতে বলেছেন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে।” ওই চাটন ঋতর থেকে সময় চাইব না। আমরাও আলাদা সময় পাব। যেমন নওশাদ, সিপিএম, কং সময় পাবে। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস আমরা বিরোধী দল। আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা করব। এই সরকারকেও একটু সময় দেওয়া উচিত। হকার ইস্যু নিয়েও বলেছি। রাজ্য সরকার আর বুলডোজার চালাবে না এটা উনি বলেছেন। বালিশ চাটা রাজনীতি করব না। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করি। অনেকে চাপে গিয়েছেন। আমরা দিল্লির গ্যারেজে দাঁড়িয়ে থাকা লোক নয়। উল্টো শিবির থেকে ভয় দেখানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করলাম। উনি চা বিস্কুট খাওয়ালেন। ভালো আলোচনা হল। বিরোধী দলনেতা একটা থানায় জানানি। আক্রান্তদের পাশে যান নি। হকার উচ্ছেদ নিয়ে রাস্তায় নামেনি। রাজ্যপাল বলেছেন মহিলাদের উপর অত্যাচার হবে না। তাহলে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ঘাড় ধরে জেলে পাঠানো উচিত। জিভ বার করা ভিডিও তো আপনারা দেখেছেন। ঋতকে সরান তাহলে বুঝব মেরিট আছে রাজ্যপালের ভাষণের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরীবের রাজনীতি করেন আমরা চটি চাটা। ওরা বালিশ চাটা। অরুপ ও ব্যাংকের সঙ্গে আমার কথা হয়নি। আমি চিঠির ব্যাপারে জানিনা। আমাদের এক্তিয়ার নেই ওই বিষয়ে। নতুন সরকার সবে এসেছে। তাকে আমরা সময় দেব।

আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান, বাজেট ভাষণে রাজ্য সরকারে দরাজ প্রশংসা রাজ্যপালের

ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার বিষয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব। বুধবার ওই মামলার শুনানিতে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। বৃহস্পতিবার এই মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেননি বিচারপতি। আপাতত ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতার পদে থাকছেন। বৃহস্পতিবার ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে দেখা যায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা একদা মমতা-ঘনিষ্ঠ ফিরহাদ হাকিমকেও। ঋতব্রত, সন্দীপন সাহাদের সঙ্গেই বিধানসভার বিরোধী বেঞ্চে বসেছিলেন তিনি। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের তরফে বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, রুকবানুর রহমান, আলিফা আহমেদরা।

Latest News

তণমূলের অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজা অরূপ, তবে কি মমতার হাত ছাড়ছেন?

কলকাতা: মেসি-কাণ্ডে অবশেষে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় (Bidhannagar PS) সশরীরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas)। বৃহস্পতিবার...

More Articles Like This