28 C
Kolkata

নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে’ মোদি! তুঙ্গে বিতর্ক

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)-কেসাপুড়ে বানিয়ে কার্টুন প্রকাশ করল নরওয়ের (Norway) একটি প্রথম সারির সংবাদপত্র। যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নরওয়ের অন্যতম বৃহৎ সংবাদপত্র ‘আফটেনপোস্টেন’-এ (Aftenposten) প্রকাশিত একটি কার্টুন (Cartoon) ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু ভারতীয়। তাঁদের অভিযোগ, এটি শুধু অপমানজনকই নয়, বরং ঔপনিবেশিক মানসিকতার পুরনো স্টেরিওটাইপকে ফের সামনে এনেছে।

প্রকাশিত কার্টুনে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) হাতে রয়েছে সাপের খেলা দেখানোর একটি ‘বাঁশি’। তার সুরে একটি সাপকে ‘বশ’ করার চেষ্টা করছেন। তবে সেই সাপের আকৃতি ছিল জ্বালানির নলের মতো। মনে করা হচ্ছে, সম্প্রতি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধিকেই ব্যঙ্গ করে এই কার্টুন আঁকা হয়েছে। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘একজন চালাক এবং ঈষৎ বিরক্তিকর মানুষ’।।

যদিও এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী দফতর বা ভারত সরকারের তরফে এই বিতর্ক নিয়ে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটব্যবহারকারী এই কার্টুনকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ এবং ভারতের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ‘অশ্রদ্ধাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকেই মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) নিজেই বলেছিলেন, একসময় বিশ্ব ভারতকে “সাপুড়ের দেশ” বলে চিনত। কিন্তু আজ ভারত “মাউস চার্মার”-এর দেশ অর্থাৎ প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

আরও খবর : ‘বালিকাদের নীরবতাই সম্মতি’, বাল্যবিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দিল আফগানিস্তান

এক নেটব্যবহারকারী লিখেছেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে কাউকে অপমান করা যায় না।” অন্য একজনের মন্তব্য, “ভারতের উত্থান অনেকের সহ্য হচ্ছে না বলেই এখনও ঔপনিবেশিক মানসিকতায় আটকে রয়েছে কিছু বিদেশি সংবাদমাধ্যম।” তবে এই বিতর্কে ভিন্ন মতও সামনে এসেছে। একাংশের বক্তব্য, বিদেশি সংবাদমাধ্যম সরকারের সমালোচনা করতেই পারে। সেই কারণেই এটিকে অতিরিক্তভাবে ‘জাতিবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়া ঠিক নয়।

সোমবার নরওয়ে পা রাখেন মোদি (Narendra Modi)। সেখানে ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দেন এক সাংবাদিক। যদিও সেই প্রশ্নের জবাব দেননি প্রধানমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের কূটনীতিক সিবি জর্জ (Sibi George) সংবাদমাধ্যমকে কড়া জবাব দেন। তিনি বলেন, “ভারতের পরিসর সম্পর্কে অনেকেরই কোনও ধারণা নেই। কয়েকটি রিপোর্ট পড়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।”

দেখুন অন্য খবর :

Latest News

বৃষ্টিভেজা ইডেনে মুম্বই-বধ কলকাতার! প্লে-অফের দৌড়ে কতটা এগিয়ে KKR?

কলকাতা: দলটা লড়তে জানে, জিততে জানে, হারতেও জানে, কিন্তু মুষড়ে পড়া শব্দটা হয়তো নাইটদের ডিকশেনারিতে নেই। তাই শুরুতে হাফ-ডজন...

More Articles Like This