8.9 C
New York

মোদির সেই ঝালমুড়ি-বিলাসই অনুপ্রেরণা, বর্ধমানে মুড়ি উৎসবে মাতল মানুষ

Must Read

পূর্ব বর্ধমান:- মোদির (Narendra Modi)  সেই ঝালমুড়ি-বিলাসই অনুপ্রেরণা: বর্ধমানের (Burdwan) বিধানপল্লীতে ৫০০ মানুষকে নিয়ে চলল দেদার মুড়ি উৎসব” (Jhalmuri Festival) ।  কটু কথা ভুলে ঝালমুড়িতেই রসনাতৃপ্তি, বর্ধমানে প্রধানমন্ত্রীর (Pm Narendra Modi)  প্রিয় মুখরোচক খাবারে মজলেন সাধারণ মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর সেই ঝালমুড়ি প্রেমই ফিরল বর্ধমানে, বিধানপল্লীতে ৫০০ মানুষের মেগা আয়োজন। বর্ধমানের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ঝালমুড়ি ধামাকা’! বাঙালির প্রিয় মুড়ি খেয়ে স্মৃতি রোমন্থন বর্ধমানবাসীর।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ,  আর সেই আড্ডার মধ্যমণি হল এক ঠোঙা ‘ঝালমুড়ি’। সেই চিরন্তন আবেগকে সঙ্গী করেই এক অভিনব কর্মসূচির সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিধানপল্লী স্কুল মাঠ। রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে আয়োজিত হল এক বিশাল ‘ঝালমুড়ি উৎসব’, যেখানে উপস্থিত প্রায় ৫০০ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হলো বাঙালির প্রিয় এই মুখরোচক খাবার।

আরও পড়ুন-  বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীকে মারধর, সাসপেন্ড বারুইপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আইসি সহ সাব ইন্সপেক্টর

স্মৃতিতে মোদির ঝালমুড়ি বিলাস উদ্যোক্তারা জানান, এই আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছে এক বিশেষ রাজনৈতিক ও আবেগঘন প্রেক্ষাপট। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের আগে বাংলায় পা রেখেই সাধারণ মানুষের হাত থেকে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চর্চা হয়েছিল।

তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে কটু মন্তব্য করলেও, প্রধানমন্ত্রী পাল্টা বলেছিলেন যে— বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি করে ঝালমুড়ি খাওয়ার সুযোগ পাবে।

প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বাঙালির এই সাধারণ কিন্তু সুস্বাদু খাবারের প্রশংসা করায় বাংলার মানুষের মধ্যে ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা ও চাহিদা এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জনসাধারণের উচ্ছ্বাস এদিন সন্ধ্যায় বিধানপল্লী স্কুল মাঠে ছিল উৎসবের আমেজ। বড় গামলায় মুড়ি, চানাচুর, শসা, টমেটো আর সরষের তেলের ঝাঁঝে তৈরি ঝালমুড়ির গন্ধে ম ম করছিল চারপাশ। প্রায় ৫০০ জন সাধারণ মানুষের জন্য ঝালমুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সেই ঝালমুড়ি খাওয়ার মুহূর্তকে স্মরণ করে খুশি ব্যক্ত করেন। তাদের মতে, বিশ্বের দরবারে বাঙালির মুড়ি আজ আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।

উদ্যোক্তাদের বক্তব্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “বাঙালির প্রিয় খাদ্য মুড়িকে অপমান করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটাকে সম্মান দিয়েছেন। আমরা চেয়েছিলাম এই সন্ধ্যের আড্ডায় সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে সেই স্বাদ আর আনন্দ ভাগ করে নিতে। মানুষের ভিড় প্রমাণ করে দিয়েছে ঝালমুড়ি বাঙালির হৃদয়ে কতটা গভীর ভাবে জড়িয়ে আছে। বর্ধমানের এই সান্ধ্য আয়োজন কেবল একটি খাওয়াদাওয়ার অনুষ্ঠান নয়, বরং বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতি আর রাজনৈতিক স্মৃতির এক মেলবন্ধনে পরিণত হয়েছিল।

 

 

Latest News

কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ মাও নেতা মাধাই পাত্রের, কী কারণে সিদ্ধান্ত? শুনুন মাও নেতা মুখ থেকে

ওয়েবডেস্ক-  কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police)  বড় সাফল্য। কলকাতা থেকে গ্রেফতার মাও নেত্রী । ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  পুলিশের (police) মোস্ট ওয়ান্ডেট (Most...

More Articles Like This