ওয়েবডেস্ক- গত বছর ২২ এপ্রিল (22 April) পহেলগামে (Pahalgam) নেমে এসেছিল অন্ধকার। ২৬ জন পর্যটক ও এক স্থানীয় বাসিন্দার উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই ২২ এপ্রিল ইতিহাসে কালো দিন।
চুপ করে বসে থাকেনি ভারত। এর পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়াবার্তা ‘জল আর সন্ত্রাস এক সঙ্গে বইতে পারে না। ৭ মে গভীর রাতে শুরু হয় এয়ার স্ট্রাইক। ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী, বায়ুসেনা একযোগে আক্রমণ শানায় পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ৯টি সন্ত্রাসঘাঁটি। আজ সেই ৭ মে। একবছর পূর্তিতে কড়া বার্তা দিল সেনা। সেই সঙ্গে সেই দুর্ধর্ষ অভিযানের ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় বিমান বাহিনী (Indian Army) ।
সেনার কড়া বার্তা ভারত ক্ষমা করবে না। অপারেশন সিঁদুরের বার্ষিকীতে (Operation Sindoor Anniversy) ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ-ই-মুহাম্মদ ও লস্কর –ই- তৈয়বার নয়টি সন্ত্রাসী সুনির্দিষ্ট হামলার কথা তুলে ধরেছে।
এক বছর আগে, ভারত তার অন্যতম তীব্র সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল। পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে পহেলগামে প্রাণঘাতী হামলা ও সন্ত্রাসবাদের কঠোর জবাব দিয়েছিল ভারত। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী সমন্বয় সাধন করে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর জুড়ে সন্ত্রাস-সম্পর্কিত নয়টি চিহ্নিত স্থানে হামলা চালিয়েছে।
অপারেশন সিঁদুরের প্রথম বার্ষিকীতে ভারতীয় বিমান বাহিনী এক্স-এ অভিযান সম্পর্কিত দৃশ্য সম্বলিত একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। ভিডিওটিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু করা স্থানগুলিতে ধ্বংসাবশেষের দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
আরও পড়ুন- আইপ্যাকের হাত ছাড়লেন অখিলেশ যাদব! বাংলা, তামিলনাড়ুর ফলাফল দেখেই কি এমন সিদ্ধান্ত? শুরু জল্পনা
অপারেশন সিঁদুরের পর জারি করা এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে, ‘ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী নয়টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে একযোগে ও সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, এর মধ্যে চারটি পাকিস্তানে অবস্থিত, যেমন বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকে, এবং পাঁচটি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে, যেমন মুজাফফারাবাদ ও কোটলি।”
এই স্থানগুলো জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) এবং লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি)-এর প্রধান কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করত, যে গোষ্ঠীগুলো পুলওয়ামা (২০১৯) এবং মুম্বাই (২০০৮)-এর মতো বড় ধরনের হামলার জন্য দায়ী। এগুলিকে অপারেশন সিঁদুরের গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
