কলকাতা: আগামিকাল বুধবার বঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন।দক্ষিণবঙ্গের মোট ৭ জেলার ১৪২ আসনে হবে ভোটগ্রহণ। প্রথমদফার মতোই দ্বিতীয়দফাতেও অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণে নজরদারি আরও বাড়াল সীমান্তরক্ষী বাহিনী ৷ মঙ্গলবার রাত ১২ টা থেকে বুধবার রাত ১২ টা পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India Bangladesh Border) পেট্রাপোল বন্দরে বাণিজ্যে ও যাত্রী পারাপার পুরোপুরি বন্ধ থাকছে ৷ বন্ধ থাকবে দু’দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানিও ৷
বুধবার সকাল 7টা থেকে উত্তর 24 পরগনা-সহ রাজ্যের ছ’টি জেলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। অশান্তি এড়াতে ‘সিল’ করে দেওয়া হল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তও। প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ রয়েছে সীমান্ত বাণিজ্য। বন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পেট্রাপোল বন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অশান্তির ঘটনার পর থেকেই ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে মানুষের যাতায়াত অনেকটাই কমে গিয়েছিল ৷ চিকিৎসার প্রয়োজনে কিছু বাংলাদেশি ভারতে এলেও তার পরিমাণও খুবই কম ছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পেট্রাপোল বন্দরে বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্য। বন্ধ রয়েছে মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রগুলিও। শুনশান পেট্রাপলে কার্যত বনধের চেহারা নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ভোটের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, ভিজবে কলকাতা

উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সুন্দরবন থেকে বাগদা পর্যন্ত প্রায় ২৩০ কিলোমিটার বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে ৷ তার মধ্যে বেশ কিছু জায়গায় কাঁটাতার নেই ৷ এর আগেও ভোটের দিন বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা চোরাপথে ভারতে ঢুকে অশান্তি ছড়িয়েছিল। এবার যাতে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা ভারতীয় ভূ-খণ্ডে ঢুকে কোনও রকম অশান্তি করতে না-পারে, তার জন্য বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ৷ মঙ্গলবার রাত থেকে বনগাঁর পেট্রাপোল ও বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্ত পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হচ্ছে ৷ দু’দেশের মধ্যে পণ্যবাহী কোনও গাড়ি যাতায়াত করবে না। বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপারও । তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কোনও ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে গিয়ে থাকলে ভোট দেওয়ার জন্য সন্ধ্যা 6টার আগে তিনি বাড়ি ফিরতে পারবেন।
